সাইঘানি জেতালেন আবাহনীকে

স্পোর্টস রিপোর্টার

নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামের মাঠে আবাহনী অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে। বিজেএমসির বিপক্ষে আবাহনী কোনোরকমে ম্যাচটা জয় করে ঢাকায় ফিরেছে। গোল হজম করে পিছিয়ে থাকা লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী প্রথমার্ধেই গোল শোধ করে সমতা এনেছিল। কিন্তু টেনশন কমছিল না। পচা শামুকে পা কাটার আশঙ্কা আবাহনী। পচা শামুক এ কারণে যে, পয়েন্ট টেবিলে ১৩ দলের মধ্যে ১৩ নম্বরে রয়েছে বিজেএমসি। সবার নিচে থাকা দলে বিপক্ষে শিরোপা ধরের রাখার মিশনে নামা আবাহনী পয়েন্ট হারালে আরো পিছিয়ে যাবে। ভাগ্য ভালো জিতেছে। তবে জয়ের কারিগর আবার সেই আফগান ফুটবলার মাসিহ সাইঘানি। আবাহনীর মান বাঁচিয়েছেন। ম্যাচ জিতিয়েছেন ২-১ গোলে।

শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে বৃষ্টিভেজা মাঠে বিজেএমসির ফুটবলাররাও কম যাননি। আবাহনীর পুরো শক্তির দল। যেখানে রয়েছে সানডে, মাসিহ সাইঘানি, সোহেল রানা, মামুনুল ইসলাম, বেলফোর্ট, জুয়েল রানা, ওয়ালী ফয়সালদের অভিজ্ঞ ফুটবলার। সেখানে দুর্বল বিজেএমসি কতটাই-বা শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে। তার পরও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা বিজেএমসি লড়াই করেছে।

সম্প্রতি এএফসি কাপ ফুটবলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আসা আবাহনী ছিল ফুরফুরে। তাদের ইতিহাসে এএফসি কাপের নকআউট পর্বে উঠেছে। বাড়তি মানসিক শক্তি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। এএফসি কাপ ফুটবল খেলে এসেই নোয়াখালীতে যায় আবাহনী প্রথম ম্যাচে মাঠে নামে। কিন্তু জয়টা আনতে গিয়ে এতটা পরিশ্রম করতে হবে ভাবেননি আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস। বিজেএমসির কোচ আলী আসগর নাসির প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন ডুবন্ত দলটাকে তুলে আনতে। বিজেএমসির এই দুরবস্থা আগে থেকেই। নাসির দায়িত্ব নিয়েছেন ডুবন্ত অবস্থায়। তাই হয়তো তার চোখে প্রতিপক্ষ যদি এখন বার্সেলোনাও হতো, তবুও জীবন বাঁচানোর সব চেষ্টাই করতেন। সুযোগটাও কাল পেয়েছিল নাসিরের বিজেএমসি। ২৬ মিনিটে গোল এনে দিয়েছিলেন সামসুং ইলিয়াসু ১-০। আবাহনী ৪০ মিনিটে আবাহনীর গোলটি করেন জুয়েল রানা ১-১। ভেজা মাঠে ৬০ মিনিটে মাসিহ সাইঘানির গোলটি আবাহনীকে ৩ পয়েন্ট এনে দেয় ২-১।

১৭ খেলায় আবাহনীর ১৪ জয়ে ৪২ পয়েন্ট। ১৬ খেলায় বসুন্ধরার ৪৬ পয়েন্ট।

আজকের খেলা

শেখ জামাল ও ব্রাদার্স। চট্টগ্রাম আবাহনী ও শেখ রাসেল। ৪টা ও ৭টা, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। মোহামেডান ও সাইফ স্পোর্টিং। ৪টা, ময়মনসিংহ।