বাঙালি জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য মানিক মিয়া ও ইত্তেফাক

পত্রিকা নিয়ে আমার জীবনের বেশকিছু স্মৃতি জড়িত। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে চাকরিরত আমার একমাত্র মামা সৈয়দ আব্দুল খালেক সুলেমান সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে যুদ্ধের জন্য দেশে ফিরে সোজা আমাদের বাড়িতে আসেন। মামাকে দেখে আমি ভয়ে পালানোর চেষ্টা করলে আমাকে জাপটে ধরে বলছিলেন, ভয়  করবি না, ভয়ে জয় হয় না। মামা সেনা অফিসার, তুই হবি সাংবাদিক। সে সময় থেকেই সাংবাদিক শব্দটি মাথায় ঢুকলে আজও বের হয়নি।

বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ, মানিক মিয়া ও দৈনিক ইত্তেফাক—এ চারটি শব্দ সমার্থক। এক ও অভিন্ন, বলা যায় একই সুতোয় গাঁথা। বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ চারটি শব্দ একটি অপরটির পরিপূরক। বঙ্গবন্ধুর জীবন, সমগ্র ইতিহাস হলেও স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ও ইত্তেফাক পত্রিকাটি প্রতিটি অধ্যায় রচনায় পথপ্রদর্শক। এক কথায়, বাংলা ও বাঙালির জীবন ইতিহাসের সঙ্গে মানিক মিয়া ও তার প্রতিষ্ঠিত ‘ইত্তেফাক’ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মানিক মিয়া সাংবাদিকতায় এ উপমহাদেশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, জীবন্ত কিংবদন্তি, বিবেকি সাংবাদিকতার পথিকৃত্, কৃতিধন্য মানুষ ছিলেন। দৈনিক ইত্তেফাক বাঙালির প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার চিন্তা-চেতনা থেকেই ‘ইত্তেফাক’ পাত্রিকার জন্ম। বাঙালির চরম দুর্দিনে বঙ্গবন্ধুর সহোদর ছিল ‘ইত্তেফাক’। ‘মানিক মিয়া ও ইত্তেফাক, বাঙালির কথা বলার একমাত্র আশ্রয় ও ঠিকানা ছিল। মানিক মিয়া উপমহাদেশে প্রতিভাধর সেরা সাংবাকিদদের একজন। তিনি ছিলেন, মনুষ্যত্বের সাধক ও চিন্তাবিদ। খণ্ডকালের হলেও মানিক মিয়া এখন সর্বকালের সাংবাদিক। তিনি দেশপ্রেমে উষ্ণ অনুরাগে বাঙালিকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।

১৯৪৬ সালে মানিক মিয়ার উদ্যোগে আবুল মনসুর আহমদের সম্পাদনায় ‘দৈনিক ইত্তেহাদ’ নামক পত্রিকার সেক্রেটারি হয়ে পত্রিকাটি ঢাকায় নিয়ে আসার চেষ্টা করলে পাকিস্তান সরকার একাধিকবার বাধা দেয় এবং শেষ পর্যন্ত পত্রিকাটি বন্ধ হলে তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট দেশ বিভাগের পর থেকে শোষিত, বঞ্চিত বাঙালিকে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে ঐক্যের মোহনায় দাঁড় করিয়ে ছিল, বীর কণ্ঠ ‘ইত্তেফাক’। বাঙালির জন্য পত্রিকাটি লড়েছে আপসহীন। দেশপ্রেমহীন বিবেকলুপ্ত সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, মানিক মিয়া বঙ্গবন্ধুর জীবনকর্মকে গতিশীল-শক্তিশালী এবং মূল লক্ষ্য স্বাধীনতার সকল আন্দোলন সংগ্রামকে বহুল প্রচার করেছে ‘দৈনিক ইত্তেফাক’। বঙ্গবন্ধুর অনেক ভাষণকে অসাধারণ ও বলিষ্ঠ কণ্ঠে রূপান্তরিত করেছে ইত্তেফাক। ঐতিহাসিকভাবে ও গবেষণায় প্রমাণিত, মানিক মিয়ার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ ছিল, ইত্তেফাক। তাই বাঙালি জাতিসত্তার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ মানিক মিয়া ও ইত্তেফাক। বঙ্গবন্ধু রাজনীতির সিংহপুরুষ, মানিক মিয়া সাংবাদিকতার সাহসী অগ্নিপুরুষ। দেশ বিভাগের পর (১৯৪৭-১৯৭১) পর্যন্ত প্রায় দুই যুগ সময়ে কোনো বাঙালিসমর্থক পত্রিকা ইত্তেফাক ছাড়া পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়নি। মানিক মিয়া তার জীবনের সাধনার ফসল মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় দেখে যেতে পারেননি। বাঙালির বিজয় হাসির সময়, মানিক মিয়া ছিলেন পরলোকে। সাধ যেন অপূর্ণ রয়ে গেল।

রাষ্ট্রভাষা উর্দুর পরিবর্তে বাংলা ভাষার দাবিতে সোচ্চার হলে, পাকিস্তান মোহ ও পাকিস্তানপ্রীতি কমতে থাকে। একপর্যায়ে বাঙালির স্বাধীন আবাসভূমির চেতনায় মুসলিম লীগবিরোধী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ) ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সেই দুঃসময়ে এই দলের মুখপত্র হিসেবে আবির্ভাব ঘটে ঐতিহাসিক সাপ্তাহিক ‘ইত্তেফাক পত্রিকার’। মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং ইয়ার আহমদকে প্রকাশক করে এ বছর ১৫ আগস্ট সাপ্তাহিক ইত্তেফাক প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়। ১৯৫১ সালের ১৪ আগস্ট মানিক মিয়া পত্রিকাটির পূর্ণ দায়িত্বভার গ্রহণ করে ১৯৫৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর সাপ্তাহিকের পরিবর্তে দৈনিক ইত্তেফাক ঘোষণা করে ২৫ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু হয়। সম্পাদক মানিক মিয়া সাদাসিধে, সহজ সরল হলেও তার কলমে ছিল বারুদ। তিনি ছদ্মনামে মুসাফির ও রাজনীতির মঞ্চ নামে শুরু করেন দুঃসাহসিক কলাম লেখা। পাকিস্তানের সামরিক শাসকদের ভিত কেঁপে যায় তার লেখনীতে। মানিক মিয়া কোনো তোষামোদি, স্বার্থবাদী চিন্তা না করে পত্রিকাটির নিয়ম-নীতি, কোন ধরনের লেখা জনস্বার্থ জড়িত, তা বিবেচনা করে প্রকৃতি ও চরিত্র নির্ধারণ করেন, যা এখনো অব্যাহত আছে।

গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মানুষ চিনতে কখনো কোনো ভুল করেননি। কে কোন কাজের যোগ্য, তা দেখলেই বুঝতে পারতেন। গোপালগঞ্জ স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে কিশোর বঙ্গবন্ধুর বিদ্যালয়ের ছাদ মেরামতের দাবি উপস্থাপন ও আদায় করার কৌশল দেখে সোহরাওয়ার্দী একেবারে অবাক না হলেও বিস্মিত হয়েছিলেন। কলকাতায় যাওয়ার পর দুই জনের মধ্যে গুরুশিষ্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বঙ্গবন্ধু সোহরাওয়ার্দীকে গুরু মানতেন ও শ্রদ্ধা করতেন। সোহরাওয়ার্দীর পরামর্শে মানিক মিয়া সংবাদপত্র জগতের পথচলা শুরু করেছিলেন। ফলে বঙ্গবন্ধু হলেন বাঙালির জাতির পিতা এবং মানিক মিয়া হলেন সাংবাদিকদের কুলশিরোমণি। সোহরাওয়ার্দী দুই পথের দুই জনকে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের সবক শিখিয়েছিলেন এবং দুই জন সফলও হয়েছেন। বলা যায়, সোহরাওয়ার্দী এ দুই জনকে আগামী দিনের নেতা তৈরি করেছিলেন। ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু অবিসংবাদিত নেতা এবং মানিক মিয়া সাংবাদিকতার আইকন হওয়ার খ্যাতি অর্জন করেছেন।

পিরোজপুর জেলার বিখ্যাত ভাণ্ডারিয়া গ্রামে ১৯১১ সালে মানিক মিয়ার জন্ম হয়। তার পিতার নাম মুসলেম উদ্দিন মিয়া। শৈশবকালে মা মারা যান। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাইমারি, ভাণ্ডারিয়া হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যায়ন করে পিরোজপুর হাইস্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে ম্যাট্রিক এবং ১৯৫৩ সালে বরিশাল বিএম কলেজ থেকে ডিস্টিংশনসহ বিএ পাশ করেন। পিরোজপুর সিভিল কোর্টে চাকরি নেওয়ার পর মহান নেতা সোহরাওয়ার্দীর সান্নিধ্যলাভ করেন এবং চাকরি ছেড়ে কলকাতার প্রাদেশিক মুসলিম লীগের অফিস সেক্রেটারির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সময় ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার গোয়ালদী গ্রামের খন্দকার আবুল হোসেনের কন্যা মাজেদা বেগমকে বিয়ে করেন। তার দুই ছেলে ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী কর্মকাণ্ড ইত্তেফাকে প্রচার শুরু হলে, মানিক মিয়াকে গ্রেফতার করে এক বছর জেলে আটক রাখা হয়। ১৯৬৩ সালে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা বন্ধ এবং প্রকাশনা নিষিদ্ধ করে নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস বাজেয়াপ্ত করলে ঢাকা টাইমস ও পূর্বাণী পত্রিকা বন্ধ হয়ে যায়। গণ-আন্দোলনের মুখে ১৯৬৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলে পুনরায় প্রকাশনা শুরু হয় এবং মানিক মিয়া নিজ কলামে সামরিক সরকারের শক্তি বড় না, ইত্তেফাক পত্রিকার শক্তি কতুটুকু, তা লিখে প্রমাণ করেন।

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা নিয়ে আমার জীবনের বেশকিছু স্মৃতি জড়িত। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে চাকরিরত আমার একমাত্র মামা সৈয়দ আব্দুল খালেক সুলেমান সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে যুদ্ধের জন্য দেশে ফিরে সোজা আমাদের বাড়িতে আসেন। মামাকে দেখে আমি ভয়ে পালানোর চেষ্টা করলে আমাকে জাপটে ধরে বলছিলেন, ‘ভয় করবি না, ভয়ে জয় হয় না। মামা সেনা অফিসার, তুই হবি সাংবাদিক। সে সময় থেকেই সাংবাদিক শব্দটি মাথায় ঢুকলে আজও বের হয়নি।’

হাইস্কুলে ভর্তি হয়ে সিলেট শহরে আসা-যাওয়া শুরু হলে মায়ের হাঁস-মোরগের ডিম বিক্রির জমানো দুই-চার আনা করে জমানো টাকা দিয়ে ইত্তেফাক পত্রিকা কিনে প্রায় সপ্তাহখানেক পড়তাম। পত্রিকার বিজ্ঞাপন ও স্বাস্থ্যসচেতনতার কলাম ও নিউজ একাধিকবার পড়ে খুবই মজা পেতাম। রাস্তায় কোনো ছেঁড়া কাগজ দেখলে কুড়িয়ে নিয়ে পড়তাম। তামাক ধূমপান ও পান-সুপারি সেবন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ও ক্যানসার রোগের মূল উত্স—এ কথা দৈনিক ইত্তেফাকই আমাকে শিক্ষা দিয়েছে। তাই ছোটবেলা থেকেই ধূমপান ও পান-সুপারি খাওয়া থেকে বিরত রয়েছি। ছাত্রজীবনে প্রায় ৭০০ জন লোককে ধূমপানমুক্ত করেছি। নব্বইয়ের দশকে সিলেট শহরের পৌর পাঠাগারে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার অফিস ছিল। তখন জেলা প্রতিনিধির দায়িত্বে ছিলেন আব্দুল মালিক চৌধুরী। তিনি ছিলেন, একজন সত্, সহজ সরল ও সাদা মনের মানুষ। তার পরামর্শ ও অনুরোধে আমি প্রায়ই বিভিন্ন ঘটনার-দুর্ঘটনার নিউজ দিতাম। আব্দুল মালিক প্রায়ই বলতেন মাটি, পানি, বায়ু, ব্রিজ, কালভার্টসহ যে কোনো জনদুর্ভোগের প্রতিবেদন দিয়ে যেন সহায়তা করি এবং আমি নিরলসভাবে পরিশ্রম করে নিউজ প্রিন্ট কাগজে নিজ হাতে লিখে জমা দিতাম। তার আচার-ব্যবহারে আমি মুগ্ধ ছিলাম। আমার ইচ্ছা ছিল কোনো দিন আমি ইত্তেফাক পত্রিকায় লিখব। কথা হয় আব্দুল মালিক চৌধুরীর সঙ্গে, ৭৮ বছর বয়সি আব্দুল মালিক নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বাসায় অবস্থান করছেন। তিনি জানালেন, ১৯৭২ সালের আগে থেকে দৈনিক ইত্তেফাকে লেখালেখি শুরু করেন এবং ৭২ সালে তাকে নিয়োগ দেওয়া হলে ২০০৪ পর্যন্ত এ পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। তিনি পত্রিকার সংশ্লিষ্ট সবাইসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। আমি তার কথাটুকু আমার এ কলামে লেখার কথা জানালে তিনি আনন্দে উল্লসিত হয়ে আমাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। আমি পত্রিকার একজন পাঠক থেকে এখন নিয়মিত একজন কলাম লেখক। আব্দুল মালিক চৌধুরীর অনুপ্রেরণাও আমাকে এ পথ চলায় ত্বরান্বিত করেছে। সংবাদপত্র বর্তমান সভ্যতার অপরিহার্য অঙ্গ। আক্ষরিক অর্থে জনগণের সদা জাগ্রত জাতীয় সংসদ। সংবাদপত্র একটি সমাজের সামগ্রিক পরিচয়ের প্রাত্যহিক দলিল। সংবাদপত্র একটি রাষ্ট্রের জন্য তখনই গুরুত্বপূর্ণ, যদি তার প্রকাশক ও সাংবাদিকরা সত্যনিষ্ঠ, সাহসী, গণমুখী ও দেশপ্রেমিক হন। জনগণের প্রিয় মুখপত্র দৈনিক ইত্তেফাক সব পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে। সাংবাদিক ও কলামিস্টদের বিশ্বের চোখ ও কান বলা হয়। সেই অবস্থান থেকে দৈনিক ইত্তেফাক অনেক এগিয়ে। পত্রিকাটি অনেক সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৃষ্টি করেছে, যা এ উপমহাদেশে নজিরবিহীন। এর মধ্যে হয়তো আমিও একজন।

এ দেশের মাটি ও মানুষের জন্য দীর্ঘজীবন সংগ্রামের পর মানিক মিয়ার শরীর ভেঙে যায় এবং ১৯৬৯ সালের ২৬ মে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে ১ জুন রাতে মানিক মিয়া ৫৮ বছর বয়সে (১৯১১-১৯৬৯) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি চলে গেলেও দেশ ও জাতির কাছে রেখে গেলেন অফুরান ঐশ্বর্যভান্ডার। আমি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মানিক মিয়া ও তার পুত্র মইনুল হোসেনের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সকাইকে এই শুভ দিনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

লেখক: কলামিস্ট ও সমাজবিশ্লেষক