দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও সৈয়দপুর কিশোরগঞ্জ আসনের লাঙ্গলের প্রার্থী আহসান আদেলুর রহমান আদেল নির্বাচনী প্রচারণা বলেছেন, আপনাদের ভোটে পুনরায় বিজয়ী হলে সৈয়দপুর কিশোরগঞ্জ উপজেলাকে আধুনিক, গুণমুখী ও সেবাবান্ধব উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলতে চাই।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা বাজার সংলগ্ন চাতাল ও বাহাগিলি ইউনিয়নে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এমপি আদেল আরও বলেন, আমিও আপনাদের মতো মানুষ। আমারও আপনাদের মতো ভুল-ত্রুটি হতে পারে। বিগত সময়ে এ আসনের এমপি থাকা অবস্থায় কাজ করতে গিয়ে ভুল হতেই পারে। আমার ভুল কতখানি আর এলাকার উন্নয়ন কতখানি করেছি এই দুই মিলে আপনারা সিদান্ত নেবেন। যদি আমার সময়ে সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জে বেশি উন্নয়ন হয়ে থাকে তাহলে অব্যশই আপনারা পুনরায় আমাকে ভোট দেবেন। যাতে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে আবার আপনাদের সেবা করার সুযোগ পাই।
তিনি আরও বলেন, আমরা যারা রাজনীতি করি তাদের রাজনীতি করার একমাত্র লক্ষ্য হল দেশের জনগণের সেবা করা। যদি আমরা সঠিকভাবে এ দায়িত্ব পালন করতে না পারি তাহলে আমাদের রাজনীতি করার কোন সার্থকতা আসবে না। জনগণের সেবা, উন্নয়ন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির মূল লক্ষ্য। আমার মামা নয় বছরের রাষ্ট্রনায়ক পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সে লক্ষ্য নিয়েই রাজনীতি করেছিলেন।
জাপা নেতা বলেন, তিনি মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করেছেন। আমিও সেই পথ অনুসরন করে চলতে চাই। গত ৫ বছরে এমপি থাকা অবস্থায় আমার নির্বাচনী এলাকা সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ মিলে নীলফামারী-৪ আসনে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত করেছি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় করে শেখ রাসেল মিনি ষ্টেডিয়াম নির্মাণ। স্কুল কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণ। রাস্তা পাঁকাকরণ, বাহাগিলি ইউনিয়নের বাহাগিলি স্টিল ব্রিজের কাছে নতুন ব্রীজ নির্মাণ, সৈয়দপুর উপজেলার স্মৃতিসৌধের সংস্কার ও মেরামতকরণ, গ্রামীণ রাস্তাঘাট, মসজিদ মাদ্রাসা, স্কুল কলেজসহ শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি স্বপ্ন দেখি নীলফামারী-৪ আসনের দুইটি উপজেলার প্রত্যোকটি রাস্তাঘাট পাকা হবে। পাকা রাস্তাগুলো সোলার লাইট দ্বারা আলোকিত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্টানের অভাবে কোন শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়বে না। কর্মমুখী শিক্ষা ও কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার মাধ্যমে কর্মক্ষম যুব ও নারীদের হবে কর্মসংস্থান। সবার জন্য থাকবে মানসম্মত চিকিৎসা, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান। শিক্ষিত মাদকমুক্ত সুখী ও সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত করতে চাই এ আসনের মানুষকে। এ সময় তিনি পুনরায় নির্বাচিত হয়ে অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করে জনগণের পাশে থেকে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের দোয়া ও ভোট কামনা করেছেন।