খেলতেই পারলেন না রিয়াদ

ইনজুরির কারণে ভারতের সাথে খেলতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। গত ২৪ জুন সাউদাম্পটনে আফগানিস্তানের সাথে ব্যাটিং করার সময় পায়ের মাংসপেশিতে টান পড়েছিল তার। সেটাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফগানদের সাথে কোনোমতে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ব্যাটিং করতে পারলেও আর ফিল্ডিং করতে নামেননি বাংলাদেশের এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তার পরিবর্তে ফিল্ডিং করেছিলেন সাব্বির।

ভারত ম্যাচের আগে টানা আটদিন বিশ্রামে রিয়াদের ইনজুরি সেরে যাবে বলে আশা করা হলেও তা আর হয়নি। গতকাল ভারতের সাথে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের ফিজিওর চূড়ান্ত ছাড়পত্র পাননি রিয়াদ। তার জায়গায় সাব্বিরকে নামানো হয়। এছাড়া গতকাল আরো একটি পরিবর্তন ছিল। রুবেলকে নামানো হয় মেহেদি হাসান মিরাজের জায়গায়। ছয় ম্যাচে পাঁচ উইকেট পাওয়া মিরাজ এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে হিসাবি বোলার। তার ইকোনমি রেট ৫.৪৫। একাদশে না থাকলেও গতকাল ফিল্ডিং করেছেন তামিমের জায়গায়। এজবাস্টনে পেস বোলিং সহায়ক উইকেটের কথা মাথায় রেখেই গতকাল মিরাজের জায়গায় ডাক পান রুবেল।

চলতি বিশ্বকাপে প্রথম পাঁচ ম্যাচ একাদশের বাইরে ছিলেন সাব্বির ও রুবেল। আলোচিত ইনজুরির জন্য অস্ট্রেলিয়ার সাথে সাইফুদ্দিন ও মোসাদ্দেক বাদ পড়ায় তাদের ভাগ্য ফেরে। তবে ঐ ম্যাচে মোটেই সুবিধা করতে পারেননি তারা। নাথান কোল্টার নাইলের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাব্বির। আর বল হাতে অসি ব্যাটসম্যানদের হাতে বেধড়ক মার খান রুবেল। ৯ ওভার হাত ঘুরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৮৩ রান উপহার দেন রুবেল। এর জের ধরে আফগানিস্তানের সাথে পরের ম্যাচে ফের একাদশ থেকে বাদ পড়তে হয় তাদের। যথারীতি আবার ডাক পরে সাইফুদ্দিন ও মোসাদ্দেকের। 

দলীয় সূত্র জানাচ্ছে, ইনজুরি না সারলে পাকিস্তানের সাথে পরের ম্যাচেও অনিশ্চিত রিয়াদ। এই বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচে পাঁচ ইনিংস খেলে রিয়াদের সংগ্রহ ১৯০ রান। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার সাথে ট্রেন্টব্রিজে হেরে যাওয়া ম্যাচে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন তিনি। ওডিআই ক্যারিয়ারে ১৮১ ম্যাচে ১৫৬টি ইনিংস খেলে ৩৯৪৭ রান করেছেন এই ব্যাটসম্যান। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটিসহ মোট তিন সেঞ্চুরি রয়েছে তার। অর্ধশতক করেছেন ২১টি। ভারতের সাথে ১৪ ম্যাচ খেলে দুই ফিফটিসহ ৩১৯ রান করেছেন তিনি। তবে তিনি সবচেয়ে সফল নিউজিল্যান্ডের সাথে। দুই সেঞ্চুরিতে করেছেন ৫৫৭ রান।