জনসংখ্যার বোনাস-সুবিধা পেতে তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে

বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনসংখ্যার বোনাস সময় শেষ হবে ২০৩৫ থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে। ২০৩০ সালের পর থেকে কমতে থাকবে কর্মক্ষম তরুণদের সংখ্যা। এরপর তুলনামূলক বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাবে। তাই জনসংখ্যার বোনাস সময়কে কাজে লাগানোর সময় এখনই। গতকাল রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) ও অ্যাকশন এইডের যৌথ উদ্যোগে জনসংখ্যার বোনাস বিষয়ের উপলব্ধি : তরুণদের জন্য বিনিয়োগ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে বক্তারা এ কথা বলেন। সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি, সম্মাননীয় অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। সভাপতিত্ব করেন, সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান এবং অ্যাকশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির।

মূল উপস্থাপনা পেশ করেন ড. সায়মা হক বিদিশা। তিনি উল্লেখ করেন, জনসংখ্যার বোনাস আমরা পাব কি না সেটি নির্ভর করে মানসম্পন্ন কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ওপর। আর এই মান নির্ভর করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মের সুযোগের ওপর। শঙ্কার বিষয়টি হলো তরুণদের মধ্যে বর্তমানে বেকারের হার ১০.৬ শতাংশ। তাছাড়া কর্ম, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষায় নেই এমন নিষ্ক্রিয় তরুণের সংখ্যা ২৯.৮ শতাংশ। তাই সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ রয়েছে এই তরুণদের নিয়ে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা তরুণদের গুরুত্ব দিচ্ছি। কর্মসংস্থান তৈরিতে কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ড. শামসুল আলম বলেন, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সর্বোচ্চ ব্যবহারের লক্ষ্যকে সামনে রেখে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। দেশের বিনিয়োগের ৭৭ ভাগ আসছে বেসরকারি খাত থেকে। এজন্য কর্মসংস্থান তৈরিতে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।