নোয়াখালী-ফেনী ফোরলেন মহাসড়কের সেনবাগ উপজেলা অংশের সড়ক বিভাজকে সবজি চাষ করছেন স্থানীয়রা। প্রায় ১২ কিলোমিটার সড়কের বিভাজকজুড়ে চাষাবাদের কারণে দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি স্বাবলম্বী হচ্ছে তাদের পরিবার।
নোয়াখালীর চৌমুহনী থেকে ফেনী পর্যন্ত সড়কটি সম্প্রতি ফোরলেনে উন্নীত করা হয়। সড়কটির বিভাজকে মাটি ভরাট করে দেওয়া হলে সেখানে বিভিন্ন রকমের সবজি চাষ শুরু করেন আশপাশের বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির সেনবাগ উপজেলার পপুলার বিস্কুট ফ্যাক্টরি থেকে সেবারহাট বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ কিলোমিটার অংশের বিভাজকে লাল শাক, মুলা শাক, পালং শাক, ধনিয়া পাতা, সরিষা, টমেটো, মরিচ, কপি, মিষ্টি কোমড়া চাষ করেছে কৃষকরা।
উপজেলা ফতেহপুর গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কৃষক নুরুল হুদা ছোটন জানান, তিনিও সেখানে সবজি চাষ করছেন। নিজের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজনদেরও সেই সবজি দেন তিনি।
মোহাম্মদপুর গ্রামের সিএনজি চালক মোহ্ম্মাদ ইউসুফ বলেন, তিনি বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা পূরণ করছেন। সেইসঙ্গে অন্যদেরও চাষাবাদের জন্য বলছেন। একই কথা বললেন কল্যান্দী বাজারের কৃষক ও সিএনজিচালিত অটোচালক রাজুও।
সেনবাগ উপজেলা কৃষি অফিসার রেজাউল করিম ইত্তেফাককে বেলন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। প্রধানমন্ত্রীর ওই নির্দেশে তারা কৃষকদের উত্সাহিত করতে পেরেছেন। সড়ক বিভাজকে বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করে পরিবারের চাহিদা মেটাচ্ছেন তারা।