‘ইত্তেফাকের উত্তরাঞ্চলের ব্যুরো চিফ’ বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই

সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম চৌধুরী (৮৫) আর নেই। রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

জীবদ্দশায় তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি, দৈনিক ইত্তেফাকের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চিফ, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ছিলেন।  তিনি ২ মেয়ে ১ ছেলেসহ আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রবিবার, বাদ-মাগরিব সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে জানাযা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান শেষে পৌরসভাধীন মালশাপাড়া কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।  

মরহুমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন সাবেক এমপি ডা. হাবিবে মিল্লাত ও বর্তমান এমপি ড. জান্নাত আরা হেনরী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী. কেএম হোসেন আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদার, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু ইউসুফ সূর্য, আলহাজ্ব ইসহাক আলী, সিরাজগঞ্জ পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী বিমল কুমার দাস।

এছাড়াও সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হেলাল উদ্দিন, আহবায়ক আব্দুল কুদ্দুস, সাংবাদিক গাজী শাহাদত হোসেন ফিরোজী, ইত্তেফাক জেলা প্রতিনিধি মাহমুদুল কবীর, ইযরাইল হোসেন বাবু, জহরুল ইসলাম,আব্দুল হামিদ হিরা, তফিজ উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, স্বপন কুমার দাস এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সিরাজগঞ্জ জেলা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার গাজী সোরহাব আলী সরকার, গাজী শফিকুল ইসলাম শফি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী সুকুমার চন্দ্র দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জি. আব্দুল মান্নান ও আব্দুর রহিম সহ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সহ সর্বস্তরের মানুষ তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।   

আমিনুল ইসলাম চৌধুরী রাজনৈতিক জীবনে পুলিশি নির্যাতনের স্বীকার হয়ে জেলে গিয়েছেন কয়েকবার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তাঁকে গ্রেপ্তরের জন্য সাঁড়াশি অভিযান চালায় পুলিশ।