স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে কক্সবাজার পৌরসভা ও ‘প্রবৃদ্ধির’ সমঝোতা চুক্তি সই

স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পৌরসভা পর্যায়ে টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণের লক্ষ্যে কক্সবাজার পৌরসভা, ও সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘প্রবৃদ্ধি’ প্রকল্পের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়। কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মো: মাহবুবুর রহমান চৌধুরী ও প্রবৃদ্ধি প্রকল্পের টিম লিডার মারকাস এহমান ১৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার পৌরসভার সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সই করেন। 

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কক্সবাজার পৌরসভার আওতাধীন ৫২০টিরও হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস এবং রিসোর্ট রয়েছে – যাতে ১ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি পর্যটকের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (বিডা)- এর তথ্য মতে, ২০১৯ সালে  দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৩ শতাংশ। কক্সবাজারে ক্রমবর্ধমান এই খাত প্রতিনিয়ত শত শত নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে। তবে, চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে দক্ষ মানবসম্পদের অভাব পর্যটন খাতে নতুন করে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের উপর জোর দিয়ে পৌরসভায় প্রবৃদ্ধি প্রকল্পের যাত্রা শুরু করায় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবৃদ্ধির ভূমিকা ও গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানান। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের উপর গুরুত্ব আরোপ করে মেয়র বলেন, স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে পৌরসভা এই এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর এবং একই সাথে এই প্রচেষ্টায় প্রবৃদ্ধির অংশিদারিত্বের ভূঁয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

প্রবিদ্ধির টিম লিডার মার্কাস এহমান, কক্সবাজার পৌরসভায় প্রকল্পের সম্প্রসারণের বিষয়ে জোর দিয়ে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবৃদ্ধির ভূমিকার উপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, পৌরসভাগুলো একে অন্যের সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে নিজেদের এলাকায় এধরনের কর্মসূচি প্রণয়নের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। উপরন্তু, তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে এই উদ্যোগ সফলভাবে স্থানীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়নের প্রসার ঘটাবে।