উপজেলার গোলাকান্দাইল-বালিয়াপাড়া সড়কে আব্দুর রাজ্জাক (২৪) নামে কয়েল কারখানার এক শ্রমিককে ছুরিকাঘাত করে তার বেতনের টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করেছে একদল দুর্বৃত্ত। গতকাল বুধবার সকালে ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার এবং ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার করে পুলিশ। আহত আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার মাছুমাবাদ এলাকার আইন আলীর ছেলে। গ্রেফতারকৃতরা হলো উপজেলার গোলাকান্দাইল পূর্বপাড়া এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে জুয়েল, মৃত রমজান আলীর ছেলে সবুজ মিয়া ও শাহজাহানের ছেলে সুমন।
আব্দুর রাজ্জাক জানান, গত ২৮ জুন রাত ৯টার দিকে কর্মস্থল থেকে আসার পথে ওই সড়কের কালভার্টের ঢালে একদল ছিনতাইকারী তাকে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। একপর্যায়ে তার বেতনের ৮ হাজার ৫০০ টাকা ও ব্যবহূত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। প্রতিবাদ করায় তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ব্যক্তিরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সকরা রাজ্জাককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। ছয় দিন চিকিত্সার পর কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা করার পর ওই তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার এবং ছিনতাই হওয়া টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
করাত দিয়ে গলা কেটে শ্রমিক
হত্যার ঘটনায় মামলা
রূপগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্বপুর এলাকায় বিড়িশ্রমিক নুর বানু (৬০) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে নিহতের ছেলে ইলিয়াছ মিয়া বাদী হয়ে একজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
ইলিয়াছ মিয়া জানান, ১ শতাংশ জমি নিয়ে তার মা নুর বানুর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল একই এলাকার মৃত নুরু মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়ার। জাহাঙ্গীর ও তার সহযোগীরা শাবল দিয়ে নুর বানুর গলায় আঘাত করে এবং করাত দিয়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করে। মায়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন তিনি। রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, হত্যা মামলার মূল আসামি জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
জমি দখলের চেষ্টা, বাধা
দেওয়ায় হত্যার হুমকি
গতকাল দুপুরে উপজেলার গোলাকান্দাইল এলাকায় কালু মিয়া নামে এক ব্যক্তির জমি প্রতিপক্ষের লোকজন দখলের চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দখলে বাধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষের লোকজন হত্যার হুমকি দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
জমির মালিক কালু মিয়া জানান, গোলাকান্দাইল এলাকায় সাড়ে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন তিনি। একই এলাকার মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজন বেশ কিছুদিন ধরে তার জমি দখলের পায়তারা করে আসছিল। বুধবার দুপুরে মিজানুরসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় তিনি বাধা দিলে তারা কালু মিয়াকে ধাওয়া করে। কালু মিয়ার চিত্কারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে প্রতিপক্ষের লোকজন চলে যায়। রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।