মিলে চিনি রিকভারির বর্তমান হার মাত্র ৫.২৫ ভাগ। অথচ পূর্বে এই হার ৮ ভাগেরও বেশি ছিল। বিএসআরআই-এর গবেষণায় চিনি রিকভারির হার ১০ ভাগের অনেক উপরে হলেও মিলে রিকভারি কমে যাওয়ায় মিলগুলোতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ লোকসান হচ্ছে। অথচ গুড় তৈরিতে ১০ ভাগ রিকভারি হচ্ছে।
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক গবেষণা কর্মসূচির রিভিউ কর্মশালায় এ তথ্য উঠে আসে। শনিবার বিএসআরআই-এর মিলনায়তনে উদ্বোধন করা হয়েছে। মহাপরিচালক ড. আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালার উদ্বোধন করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (গবেষণা) ড. আব্দুর রউফ। এই ফারাকের বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়কে টাস্ক ফোর্স গঠন করে প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের পাশাপশি কাজে গাফিলতিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।
উদ্বেধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএসআরআই-এর পরিচালক (টিওটি) ড. এএসএম আমানুল্লাহ এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড উপস্থাপন করেন এসআরআইএফ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. সমজিত্ কুমার পাল। এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক মহাপরিচালক এএইচএম দেলোয়ার হোসেন, বিএসএফআইসি পরিচালক (সিডিআর) মোশারফ হোসেন এবং বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ইসমাইল হোসেন মিঞা।