বাংলাদেশ তরীকত ফেডারশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেছেন, ‘মাইজভান্ডার দরবার শরিফসহ অন্যান্য দরবার ও দরবারের ওলামাদের সঙ্গে যারা বেয়াদবি করেছেন যুগে যুগে তাদের পতন হয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের পতনের ঘণ্টা বেজেছিল-যখন পীরদের বিরুদ্ধে প্রশাসন দিয়ে হয়রানি শুরু করেছিল। আজকে আমরা দেখছি সারা দেশে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।’
গাজীপুরের হায়দারী দরবারের পীর ও তরীকত ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবু দাউদ সৈয়দ রাজ্জাক হায়দারির জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত তরীকত সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘সুন্নি মতাদর্শের আলেম ওলামাদের ওয়াজের অনুমতি নিতে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এমনকি উগ্রপন্থী তথাকথিত আলেম শবে বরাত রাতে মসজিদে নামজসহ ইবাদত করার চেয়ে খারাপ পল্লীতে যাওয়া ভালো-এই ধরনের বাজে ও উসকানিমূলক কথা বার্তা বলছে। এই সাহস বা উসকানি কে বা কারা দিচ্ছে এবং তাদের কারা সহযোগিতা করছে তাদের পরিচয় সরকার ও প্রশাসন জানে।’
সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেন, ‘যেখানে তাদের গ্রেফতার করার কথা সেই জায়গায় সরকার এই ব্যাপারে এখনো উদাসীন। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কোনো থানায় মামলা নেয় না। এটা দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। ভবিষ্যতে যদি কোনো কিছু হয় এর দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।’
সম্মেলনে সভাপতিত্বে করেন-বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু দাউদ মসনবি হায়দারি। প্রধান বক্তা ছিলেন- হায়দার দরবার শরিফের প্রধান পীর ও বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম মেম্বার আবু দাউদ রাজ্জাক হায়দারি।
আরও বক্তব্য রাখেন-তরীকত ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মোহাম্মদ আলি ফারুকি, তরীকত ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মিশকাত বাকিবিল্লাহ। এ সময় কেন্দ্রীয়, মহানগর ও জেলা নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।