৩৭তম বিসিএস পরীক্ষায় ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণির পদে দ্বিতীয় দফা ফলাফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। বৃহস্পতিবার বিকালে কমিশনের ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। তার আগে দুপুরে অনুষ্ঠিত কমিশনের বিশেষ সভায় প্রথম শ্রেণির (৯ম গ্রেড) শূন্যপদে ৯৯ জন প্রার্থীকে নন- ক্যাডার ১ম শ্রেণির পদে সাময়িকভাবে কমিশন সুপারিশ করে।
পিএসসির পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ বিধান অনুযায়ী ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষায় ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিধিতে উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের মেধাক্রম ও সংশ্লিষ্ট পদের নিয়োগবিধির ভিত্তিতে সাময়িকভাবে সুপারিশ করেছে। ফলাফল কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) পাওয়া যাচ্ছে।
সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা পদে ২০ জন, রেলওয়ের সহকারী সার্জন পদে ১২ জন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পদে ১৮ জনসহ সর্বমোট ২১ ক্যাটাগরির ৯৯টি পদ রয়েছে। এ নিয়ে নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণিতে মোট ৬৭৭ জনকে সুপারিশ করা হলো। এর আগে চলতি বছরের ১৩ মার্চ সর্বোচ্চসংখ্যক ৫৭৮ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। দ্রুত শূন্য পদ পাওয়া সাপেক্ষে আরেকটি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত ৩৭তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডার নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে পিএসসি।
২০১৮ সালের ১২ জুন ৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৩১৪ জন ক্যাডার পান। বাকি ৩ হাজার ৪৫৪ জনকে নন-ক্যাডারে অপেক্ষমাণ রাখা হয়। ৩৭তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় ৪ হাজার ৭৬৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।
চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যারা ক্যাডার পান না, তাদের মধ্যে থেকে ২৮তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রথম দিকে অল্প সংখ্যক পরীক্ষার্থী নিয়োগের জন্য বিবেচিত হলেও বর্তমান কমিশনের আমলে সর্বোচ্চসংখ্যক পরীক্ষার্থী নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পাচ্ছেন।