সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন হয়রানির মামলায় সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে করা মামলাটি ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। ফেনীর আমলি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আগামী ১০ জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে। এর আগে গত বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন এর আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
অপরদিকে বৃহস্পতিবার ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নুসরাত হত্যা মামলার ১৬ আসামির উপস্থিতিতে ৫ম সাক্ষী নৈশ প্রহরী মোহাম্মদ মোস্তফার জবানবন্দি রেকর্ড ও আসামিপক্ষের ১৬ জন আইনজীবী তার জেরা শেষ করেন। সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে ৩টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম চলে। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ ৭ জুলাই রবিবার পরবর্তী তিন সাক্ষী মোহাম্মদ হোসেন ওরফে লিটন, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মো. হেলাল উদ্দিন ফরহাদ এর জবানবন্দি ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের জেরার তারিখ ধার্য করে আদালতের কার্যক্রম মূলতবি ঘোষণা করেন।
এ সময় আদালতে চার্জশিটভুক্ত ১৬ আসামির সকলেই উপস্থিত ছিলেন। আসামিরা হচ্ছেন- অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদদৌলা, কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম, শিক্ষক আবছার উদ্দিন, সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নূর হোসেন, কেফায়াত উল্যাহ জনি, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, শাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষের ভাগনি উম্মে সুলতানা পপি, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহমেদ, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, মো. শামীম, কামরুন নাহার মনি, আবদুর রহিম ওরফে শরিফ, ইফতেখার হোসেন রানা, এমরান হোসেন মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল, হাফেজ আবদুল কাদের ও আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাদ্রাসার সহ-সভাপতি রুহুল আমিন।