শামীম আহমেদ মৃধা
পরিবেশকর্মী শামীম আহমেদ মৃধা কাজ করেনজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সক্ষমতা নিয়ে। আগামীর বিশ্বকে বাসযোগ্য ও নিরাপদ করে তোলারতাগিদে পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে ২০১৮ সালে তিনি গড়ে তোলেন ইকো-নেটওয়ার্কগ্লোবাল নামের একটি সংগঠন। যারা বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত বিপর্যয় রোধ ও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। পাশাপাশি‘মিশন গ্রিন বাংলাদেশ’ নামের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ হাজারগাছ লাগানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। ডায়ানা লিগ্যাসি অ্যাওয়ার্ড প্রসঙ্গে ইত্তেফাককেদেওয়া সাক্ষাৎকারে শামীম বলেন, ‘গত কয়েক বছরে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে যে কাজ করেছি এইঅ্যাওয়ার্ড আমাদের সেই দায়িত্বকে আরো বাড়িয়ে দিবে। আমাদের সদস্যরা আরো অনুপ্রাণিত হবে।জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান সময়ে একটি ভয়ানক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাপারে তরুণদেরএগিয়ে আসা প্রয়োজন।’ উল্লেখ্য ২০২২ সালে প্রথমবারের ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল শামীম।এছাড়াও গতবছর জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি ক্যাটাগরিতে জয় বাংলা ইয়ুথঅ্যাওয়ার্ড পায় তার সংগঠন ইকো-নেটওয়ার্ক গ্লোবাল।
নাফিরা নাঈম আহমাদ
নাফিরার অ্যামপ্লিটিউডের মূল লক্ষ সমাজের বিভিন্ন ট্যাবু ও বৈষম্যদূর করা। সমতা প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই, ন্যায্য ও ন্যায়সংগত সমাজ গঠনসহ বেশকিছু লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে নাফিরার সংগঠন। ২০১৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বর্তমানে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অধ্যয়নরত।
নাফিরা নাঈম জানান, বর্তমানে আমরা ঢাকার বিভিন্ন জায়গায়অবস্থান করা সুবিধাবঞ্চিত পরিবারদের সাহায্য করছি। আগামীতে আমাদের লক্ষ থাকবেঢাকার বাইরে এই কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়া। এর পাশাপাশি আরও অনেক তরুণকে আমরা অনুপ্রাণিত করতে চাই, যেন তারাও সমাজের জন্য কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হয়। আমি ১৬ বছর বয়সে যখন প্রথম অ্যামপ্লিটিউড নিয়ে পথচলা শুরু করি, চারপাশ থেকে অনেক শুনতে হয়েছে 'বেশিদিন টিকবে না', 'এইসব বাদ দিয়ে পড়তে বসো!' যেকোনো কাজের জন্য ফান্ডিং জোগাড় করা ছিল সবচেয়ে কঠিন। বিশেষ করে চ্যারিটেবল ডোনেশন জোগাড় করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। শুরুর দিকে বাবা-মা দুজনই আমাকে সহায়তা করেছেন।নাফিরাআরও জানান, পড়াশোনা, নাচ ও অন্যান্য কাজের পাশাপাশি অ্যামপ্লিটিউড নিয়ে কাজ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। তার বোন নাইসা নাঈম আহমাদও তারপাশে ছিল। সংগঠনটিতে বর্তমানে ৩০ জনের বেশি সদস্য একসঙ্গে কাজ করছেন এবং দেশের বাইরে থেকে প্রবাসী অনেক তরুণও এতে সম্পৃক্ত হয়েছেন।এর আগে ২০২২ সালে ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন নাফিরা। তখন তার বয়স ছিল বয়স মাত্র ১৮। এবার তাকে ডায়ানার লিগ্যাসি হিসেবে চিন্তা করা হয়েছে, এ নিয়ে তিনি ভীষণ খুশি। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল।