মেঘনায় ট্রলারডুবি

পুলিশ কনস্টেবলের লাশ মিললেও পাওয়া যায়নি সন্তানের

মেঘনা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ভৈরব হাইওয়ে থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় এখন নিখোঁজ রয়েছে কেবল পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানার শিশু সন্তান রাইসুল। 

সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে মেঘনা নদীর ভৈরব মাছের আড়ত এলাকা থেকে কনস্টেবল সোহেল রানার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক ও উদ্ধার ইউনিট প্রত্যয়ের প্রধান ওবায়দুল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

শনিবার (২৩ মার্চ) রাতে ট্রলারটিকে ধাক্কা দেওয়া বাল্কহেডের সুকানি ও ইঞ্জিন মিস্ত্রিকে আসামি করে নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল মো. সোহেল রানার বাবা মো. আব্দুল আলিম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় একটি মামলাটি দায়ের করেন। তবে মামলার এজাহারে আসামিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

নৌ-পুলিশ কিশোরগঞ্জ জোনের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মামলাটি ঘটনাস্থলের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় দায়ের করা হয়েছে। তবে নৌ  পুলিশ তদন্তকাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি আসামিদের গ্রেপ্তার ও বাল্কহেডটি শনাক্তকরণে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মেঘনা নদীর সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর নিচে ২১ জন যাত্রী বহন করা একটি ট্রলারকে অজ্ঞাত একটি বাল্কহেড ধাক্কা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ডুবে যায়। ট্রলারের যাত্রীদের মধ্যে ১২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় সোমবার সকাল পর্যন্ত  ট্রলারের ৮ যাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।