মো.আমিনুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক
দেওয়ান মোহাম্মদিয়া আলিম মাদ্রাসা, রাজশাহী
গত বৃহস্পতিবারের পর
পদের শেষে’-গ্রস্থ’ নয় ‘-গ্রস্ত’ হবে। যেমন- বাধাগ্রস্ত,ক্ষতিগ্রস্ত, হতাশাগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত ইত্যাদি।
## অঞ্জলি দ্বারা গঠিত সকল শব্দে ই-কার হবে। যেমন- অঞ্জলি, গীতাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি ইত্যাদি।
## ‘কে’ এবং ‘-কে’ ব্যবহার: প্রশ্নবোধক অর্থে ‘কে’ (ইংরেজিতে Who অর্থে) আলাদা ব্যবহার হয়। যেমন- হূদয় কে? প্রশ্ন করা বোঝায় না এমন শব্দে ‘-কে’ একসাথে ব্যবহার হবে। যেমন- হূদয়কে আসতে বলো।
## বিদেশি শব্দে ণ, ছ, ষ ব্যবহার হবে না। যেমন- হর্ন, কর্নার, ফার্নিচার,সমিল (করাতকল), স্টার, আস্সালামুআলাইকুম, ইনসান, বাসস্ট্যান্ড, মাস্টার, ডাস্টার, স্টার ইত্যাদি।
## বিদেশি শব্দে ই-কার ব্যবহার হবে। যেমন: প্রাইমারি, সেকেন্ডারি, স্টেশনারি, আইসক্রিম, স্টিমার, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, ডিগ্রি, চিফ, শিট, শিপ, নমিনি, কিডনি, ফ্রি, ফি, ফিস, স্কিন, স্ক্রিন, স্কলারশিপ, পার্টনারশিপ, ফ্রেন্ডশিপ, নোটারি, লটারি, সেক্রেটারি, ক্যাটাগরি, ট্রেজারি, ব্রিজ, মার্কশিট, গ্রেডশিট ইত্যাদি।
বন্ধুরা, আমরা আমাদের চেষ্টায়, বিভিন্ন লেখকের বইয়ের সহায়তা নিয়ে এবং নিজেদের লব্ধ জ্ঞান দ্বারা তোমাদের জন্য লিখে যাচ্ছি বাংলা বানানের বিভিন্ন নিয়ম। আশাকরি বাংলা বানান লেখার ক্ষেত্রে তোমরাও যত্নবান হবে। রাস্তা-ঘাটে চলতে-ফিরতে নানা জায়গায়, সাইনবোর্ডে, ব্যানারে তোমরা ভুল বানান দেখে থাকবে। সেক্ষেত্রে নিজের মেধা শক্তি কাজে লাগিয়ে সে বানান শুদ্ধ করে পড়বে। যদি সম্ভব হয় তাহলে ভুলগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবে। যদিও সবক্ষেত্রে ভুল বানান শুদ্ধ করা সম্ভব হয় না। বাংলা বানান লেখার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করবে এবং রিডিং পড়ায় মনোযোগী হবে। তাহলেই আমরা বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে পারবো।
(সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম/ দশম শ্রেণি এবং প্রায়োগিক বাংলা