এস এ গেমস প্রশিক্ষণের অর্থ মেলেনি এখনো

স্পোর্টস রিপোর্টার

আগামী ১লা ডিসেম্বর নেপালে শুরু হতে যাওয়া এস এ গেমসের জন্য প্রশিক্ষণ পর্ব শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ জন্য সরকারের কাছে ১৮ কোটি টাকা চেয়েছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। কিন্তু এখনো অর্থকড়ির নিশ্চয়তা মেলেনি। তার মধ্যে যোগ হয়েছে সম্ভাব্য বরাদ্দ থেকে উত্স কর বাবদ প্রায় আড়াই কোটি টাকা কেটে নেওয়ার দুশ্চিন্তা।

বাংলাদেশ দলের এ প্রশিক্ষণ শুরু হওয়ার কথা ছিল গত বছর জুলাইয়ে। কিন্তু সেটি হয়নি। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী বাজেট চাওয়া হলেও অর্থের নিশ্চয়তা মেলেনি এখনো । তবে বিওএর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুদ্দিন হায়দার (অব) গতকাল জানিয়েছেন তারা ১৫ কোটি টাকা পাবেন বলে শুনছেন, এখনো পাননি। অর্থ পেলেই প্রশিক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনগুলোকে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

বর্তমানে একাধিক ফেডারেশন এস এ গেমস লক্ষ্য করে প্রশিক্ষণ শুরু করেছে। নেপালে ১৩তম এস এ গেমসে বাংলাদেশ ২৫টি ডিসিপ্লিনে অংশগ্রহণ করবে। প্রশিক্ষণের জন্য ১০৬ দিন সময় পাবেন ক্রীড়াবিদরা।

ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যে বাজেট পাঠাবে সেখান হতে ক্রীড়াবিদদের অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। খসড়া হিসেবে ৮২৬ ক্রীড়াবিদের জন্য প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৬০০ টাকা খাবার খরচ। ২৭৫ টাকা লন্ড্রি ভাতা, কোচদের দৈনিক ভাতা ৭০০ টাকা, খাওয়া খরচ ৬০০ টাকা। এর মধ্যে আবার কুস্তি, ভারোত্তোলন, বক্সিংসহ একাধিক খেলার ক্রীড়াবিদদের জন্য বাড়তি খাওয়ার খরচ রয়েছে।

বিওএ মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুদ্দিন হায়দার (অব) বলেছেন, ‘১৫ কোটি টাকা পাইনি। পাবো শুনেছি। যদি পাওয়া যায় তাহলে সেখান থেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকা চলে যাবে ভ্যাট-ট্যাক্সে।’ খেলোয়াড়দের খাওয়া-দাওয়ায় এই খরচ চলে গেলে প্রশিক্ষণের ঘাটতি পড়তে পারে। ক্রীড়াবিদদের খাওয়ার বরাদ্দ কমে যেতে পারে।

তিনি জানান বিওএ চেষ্টা করছে যেন খেলোয়াড়দের বরাদ্দ না কমে। এ জন্য তারা সম্ভাব্য কর বিওএ হতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।