উৎসাহ উদ্দীপনার মাঝে শেষ হলো সাহিত্য একাডেমির ৭ দিনব্যাপী ৩৮তম বৈশাখী উৎসব। এ বছর সাহিত্য বৈশাখী উৎসব সম্মাননা পেয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ। তিনি শিল্প-সাহিত্য ও সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্য এ সম্মাননা পান।
শনিবার (২০ এপ্রিল) উৎসবের শেষ দিনে খলিল আহমদ বৈশাখী উৎসব সম্মাননা সম্মাননা গ্রহণ করেন। এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক কথাসাহিত্যিক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হুছাইন (পিপিএম), সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন, ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অমিত ভৌমিক ও কবি আব্দল মান্নান সরকার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ রুহুল আমিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাহিত্য একাডেমির সহ-সভাপতি মানিকরতন শর্মা, শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আচার্য।
অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে দেন সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন এবং সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন।
এদিন সাহিত্য একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সূচনাপর্বে দলীয় পরিবেশনা আবৃত্তি, নৃত্য ও গান। ছিল সৈকতের একক বাঁশরীর মুগ্ধকর পরিবেশনা। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক পরিবেশন করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি, লোক সংস্কৃতি পরিষদ, সপ্তসুর সঙ্গীত নিকেতন ও সুরতাল সঙ্গীত নিকেতন।
১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) বৈশাখী উৎসবের উদ্বোধন করেন গ্রহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি। প্রথমদিনে মঙ্গল শোভা যাত্রায় অংশ নেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বস্তরের মানুষ। নাগরদোলা, মাটির তৈযসপত্র, শিশুদের খেলনা, খৈ, মুড়ি, মুরালিসহ নানান রকমের বাঙালিয়ানা খাবারের প্রদর্শনী ছিলো উৎসবে। অনুষ্ঠানমালায় ছিল বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটক।
সাত দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসবে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী, সংগঠক, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব ও সংগঠন অংশ নেন।