বাংলাদেশে রেফ্রিজারেটর এবং এসির ব্যবহার আরো বাড়বে --------হেলেন পিকট

পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং কিগালি কুলিং এফিশিয়েন্সি প্রোগ্রাম (কেসিইপি)-এর ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্ট্রেনদেনিং ফর এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড একসেস টু কুলিং’ বিভাগের প্রধান হেলেন পিকট বলেছেন, ‘পরিবেশ-বান্ধব এবং বিদ্যুত্ সাশ্রয়ী পণ্য তৈরিতে ওয়ালটন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পণ্যের গুণগতমান রক্ষায় ওয়ালটন সবকিছু করছে। ওয়ালটনের অত্যাধুনিক টেস্টিং ল্যাব এবং কোয়ালিটি কন্ট্রোল সিস্টেম বিশ্বমানের। জলবায়ু উষ্ণায়ন রোধে রেফ্রিজারেটর ও কমেপ্রসর উত্পাদনে ক্ষতিকারক এইচএফসি গ্যাস ফেজ আউটের বিশ্বের প্রথম কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশ।’

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে মধ্যম আয়ের মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ফলে এখানে রেফ্রিজারেটর এবং এসির ব্যবহার আরো বাড়বে। ভোক্তারা যাতে পরিবেশবান্ধব এবং বিদ্যুত্ সাশ্রয়ী পণ্য ব্যবহার করতে পারে, সেজন্য আমরা ওয়ালটনের সঙ্গে কাজ করছি। শনিবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে এইচএফসি ফেজ আউট প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার উত্পাদনে জলবায়ু উষ্ণায়নের জন্য দায়ী এইচএফসি গ্যাসের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপির অধীনে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এক বছর মেয়াদি ঐ প্রকল্পের আওতায় ওয়ালটন কারখানা এবং সার্ভিস সেন্টারে ফ্রিজ এবং কম্প্রেসর থেকে পুরোপুরি এইচএফসি ফেজ আউট করে গ্রিন হাইড্রোকার্বন টেকনোলজির ব্যবহার নিয়ে কাজ চলছে। ‘কিগালি কুলিং এফিশিয়েন্সি প্রোগ্রাম’ এতে সহায়তা দিচ্ছে। উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির কেমিক্যাল ও মন্ট্রিল প্রোটোকল বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক আশরাফুল আম্বিয়া, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ড. সত্যেন্দ্র কুমার পুরকায়স্থ, প্রোগ্রাম অফিসার সত্য রঞ্জন ভট্টাচার্য, ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক গোলাম মুশেদ প্রমুখ। —প্রেস বিজ্ঞপ্তি