চট্টগ্রামে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস
চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রামে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। গত দুই দিনে ৮৪টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। সেখানের প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার, চাল ও ডালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ২৫০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে নিজ উদ্যোগে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।
জানা যায়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আটটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে পাহাড়তলি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ফিরোজ শাহ ই-ব্লক স্কুল, চট্টগ্রাম মডেল হাই স্কুল, জালালাবাদ বাজার সংলগ্ন শেড, আল হেরা ইসলামিয়া মাদ্রাসা, রৌফাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, লালখান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সৈয়দাবাদ স্কুল।
অভিযান পরিচালনাকারী জেলা প্রশাসনের কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, গত দুই দিনে ৮০টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত ৮৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের মধ্যে প্রথম দফায় প্রায় ৩০০ পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। আগামী ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাকি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে উচ্ছেদ করা হবে। তাদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।’
‘নিখোঁজ’ ভারতীয় নাগরিকের সন্ধান মিলল মন্দিরে
চট্টগ্রামে নিখোঁজ ভারতীয় নাগরিকের সন্ধান মিলেছে। জেলার হাটহাজারী এলাকায় একটি মন্দিরে তাকে শনিবার রাতে পাওয়া গেছে।
জানা যায়, কালপিট নরেন্দ্র জেইন (৩১) নামের এই ব্যক্তি ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ব্যবসায়িক আলোচনার জন্য গত শনিবার সকালে নগরীর সদরঘাট এলাকায় বিএসআরএম-এর কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সেখান থেকে বের হওয়ার পর তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বিএসআরএম-এর সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নুরুন্নবী তালুকদার সদরঘাট থানায় ডায়রি করেন।
এ ব্যাপারে সিএমপি কোতোয়ালি জোনের সহকারী কমিশনার নোবেল চাকমা ইত্তেফাককে বলেন, ‘বিএসআরএমে ব্যবসায়িক কাজে ৮/১০ দিন আগে এসেছিলেন কালপিট নরেন্দ্র জেইন নামের ওই ব্যক্তি। তার মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় বিএসআরএমের পক্ষ থেকে থানায় ডায়রি করা হয়েছিল। পরে হাটহাজারী উপজেলার মেখলে পুন্ডরিক ধামে তাকে পাওয়া যায়। শনিবার রাতেই তাকে বিএসআরএম কর্মকর্তাদের কাছে তুলে দিয়েছি। জেইন ধার্মিক প্রকৃতির লোক। কাউকে কিছু না বলে হাটহাজারীর ইসকন মন্দিরে চলে গিয়েছিলেন।’