ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
টাকার অভাবে ঝিনাইদহ জেলার পোস্ট অফিসগুলো সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকদের মুনাফা পরিশোধ করতে পারছে না। এতে বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। প্রতিদিনই পোস্ট অফিসগুলোতে টাকার জন্য ধরনা দিচ্ছেন তারা।
জেলা ও উপজেলা পোস্ট অফিসগুলো থেকে বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্র বিক্রি করা হয়। কেউ মাসিক আবার কেউ তিন মাস পরপর মুনাফা তুলে সংসার খরচ চালান। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা পেনশন সঞ্চয়পত্র কিনেছেন। তারা তিন মাস পরপর মুনাফার টাকা তুলে সংসার খরচ চালান। গত ১ জুলাই থেকে পোস্ট অফিসগুলো মুনাফার টাকা পরিশোধ করতে পারছে না।
ভুক্তভোগী বিমল সাহা জানান, তার পেনশন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা তুলতে শৈলকুপা উপজেলা পোস্ট অফিসে তিনদিন ধরে ঘুরছেন। পোস্ট মাস্টার বলছেন, টাকা নেই, কবে টাকা হবে তাও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। তার মতো আরো অনেক সঞ্চয়পত্রের গ্রাহক মুনাফার টাকা ওঠানোর জন্য দিনের পর দিন ঘুরছেন।
ঝিনাইদহ প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার মিজানুর রহমান বলেন, নতুন অর্থবছর শুরুর পর নতুন নিয়ম হয়েছে। সঞ্চয়পত্র বিক্রি হচ্ছে না। আগে প্রতিদিন নতুন সঞ্চয়পত্র বিক্রি হতো। সে টাকা থেকে গ্রাহকদের মুনাফার টাকা দেওয়া হতো। ঢাকার মহা হিসাব রক্ষকের অফিস থেকে টাকা না আসায় তহবিল সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এতে গ্রাহকরা সমস্যায় পড়েছেন বলে তিনি স্বীকার করেন।