মুখে বাঁশি নিয়ে ও হাতের ইশারা দিয়ে সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করছে একঝাঁক ছাত্র। সড়কে মানুষের চলাচল স্বভাবিক করতে এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সেনাবাহিনীকে সহায়তার উদ্দেশ্য মাঠে নেমেছেন এসব শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিভিন্ন দোকানপাটে লুটপাট ও ভাঙচুর ঠেকাতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের।
সরজমিনে গিয়ে পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও-ঢাকা মহাসড়কে দেখা যায়, বাঁশি দিয়ে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় মাইক হাতে সবাইকে শৃঙ্খলতা বজায় রাখতে আহ্বান জানানো হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী মোহম্মদ রনি বলেন, আমাদের আন্দোলন সফল হয়েছে। যারা আন্দোলনের বিজয়কে ভিন্নখাতে নিতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট করছে তাদের প্রতি নিন্দা জানাই। আমরা সেনাবাহিনীকে সহায়তা করে সড়কে যেন যানজট ও বিশৃঙ্খলা না হয় সেজন্য কাজ করছি।
আরেক শিক্ষার্থী মুন্না বলেন, যেহেতু মাঠে এখন ট্রাফিক পুলিশ নেই, তাই আমরা শিক্ষার্থীরা চেষ্টা করছি সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে।
তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ঠাকুরগাঁওয়ের সদস্য সচিব মাহাবুব আলম রুবেল বলেন, চলমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যারা অরাজকতা করছে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়াটা জরুরি। আমাদের ছাত্ররা যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আন্দোলন করেছে সেটা যেন নষ্ট না হয়ে যায়।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়াত হোসেন বলেন, চলমান পরিস্থিতি সকলকে শান্ত থাকতে হবে। শিক্ষার্থীরা সবাইকে সচেতনতার সঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান করছেন।