নগরীর চকবাজার এলাকার একটি কোচিং সেন্টারে কোচিং করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি তাছমিনা আকতার নিশু নামের এক তরুণী। তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় চকবাজারের লালচান্দ সড়কে মেডিক্যাল ভর্তির একটি কোচিং সেন্টারে যায় তাছমিনা। কিন্তু এরপর সে আর বাসায় ফিরে আসেনি। ঐদিন পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে রাতে চকবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
তাছমিনার পারিবারিক সূত্রগুলো থেকে বলা হয়, সাধারণত রাত ১০টার ভেতর বাসায় চলে আসে। কিন্তু ঐদিন বাসায় না ফিরলে কল দিয়ে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে কোচিং সেন্টারের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় তাছমিনাকে কোচিং সেন্টার থেকে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে যে, তাছমিনাকে কয়েকজন যুবক একটি ফাস্টফুডের দোকানে নিয়ে গিয়ে প্রহার করে। পরে রাত ১০টায় একটি অপরিচিত নম্বর থেকে তার মুক্তিপণ বাবদ ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন ইত্তেফাককে বলেন, তরুণী কোচিং সেন্টার থেকে অপহরণ কিংবা নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি খুবই রহস্যজনক। বিশেষ করে চকবাজারের মতো জনবহুল এলাকায় যদি ঘটনাটি ঘটে থাকে। ফোন ট্র্যাকিং করে দেখা যাচ্ছে, মেয়েটি গত ৬ জুলাই থেকে একটি অচেনা নাম্বারের সঙ্গে কথা বলছে। ঐ অচেনা নাম্বারটি কখনো ঢাকা, কখনো কুমিল্লা সর্বশেষ ঢাকার সূত্রাপুরের লোকেশনে দেখা যায়। আমরা খতিয়ে দেখছি, নিখোঁজের ঘটনাটি আসলে কী।