তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘুষের মামলায় আগাম জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদা। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়, যমুনা বহুমুখী সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মার্গারেট ওয়ান লিমিটেড নিয়োগ পায়। যোগাযোগমন্ত্রী থাকাকালে নাজমুল হুদা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে তার স্ত্রী সিগমা হুদার মালিকানাধীন খবরের অন্তরালে পত্রিকার ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে বলেন। ঘুষের টাকা না দিলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বাতিল এবং কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলে হুমকি দেন। পরে প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার শর্তে রাজি হন হুদা দম্পতি।
২০০৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৬ সালের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত মার্গারেট ওয়ানের প্রাইম ব্যাংকের মতিঝিল শাখার চেকে ছয় লাখ টাকা জমা করা হয় সিগমা হুদার ব্যাংক হিসাবে—এমন অভিযোগে ২০০৮ সালের ১৮ জুন হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এই মামলার তদন্ত চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে দুদককে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ওই নির্দেশের পর গতকাল হাইকোর্টে হাজির হয়ে আগাম জামিন চান তারা। আবেদনের পক্ষে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিনউদ্দিন মানিক ও দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেয়।