বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর

বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর : বাইনারি সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে এককের অংককে ২০, দশকের অঙ্ককে ২১, শতকের অঙ্ককে ২৩ এভাবে পরপর সংখ্যাগুলোকে ক্রমান্বয়ে ২ এর ঘাত দিয়ে গুণ করে গুণফলকে যোগ করে দশমিক মান পাওয়া যায়।

বাইনারি ভগ্নাংশ সংখ্যার ক্ষেত্রে ২-১ ২-২ ২-৩ ইত্যাদি দিয়ে প্রথম হতে পরপর ক্রমান্বয়ে ঋণাত্মক মানের ঘাত দিয়ে গুণ করে গুণফলকে যোগ করে দশমিক মান পাওয়া যায়।

অকট্যাল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর :অকট্যাল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য পূর্ণসংখ্যার ক্ষেত্রে এককের অঙ্ককে ৮০, দশকের অঙ্ককে ৮১, শতকের অঙ্ককে ৮২ এভাবে পরপর সংখ্যাগুলোকে ক্রমান্বয়ে ৮-এর ধনাত্মক ঘাত দিয়ে গুণ করে গুণফলকে যোগ করে দশমিক মান পাওয়া যায়।

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ৮-১, ৮-২, ৮-৩ ........ ইত্যাদি দিয়ে প্রথম হতে পর পর ক্রমান্বয়ে গুণ করে গুণফলকে যোগ করে দশমিক মান পাওয়া যায়। 

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর :হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য পূর্ণসংখ্যার ক্ষেত্রে এককের অঙ্ককে ১৬০, দশকের অঙ্ককে ১৬১, শতকের অঙ্ককে ১৬২ এভাবে পরপর সংখ্যাগুলো ক্রমান্বয়ে ১৬ এর ধনাত্মক ঘাত দিয়ে গুণ করে গুণফলকে যোগ করে দশমিক মান পাওয়া যায়।

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ১৬-১, ১৬-২, ১৬-৩ .... ইত্যাদি প্রথম হতে পরপর ক্রমান্বয়ে গুণ করে গুণফলকে যোগ করে দশমিক মান পাওয়া যায়।

বাইনারি সংখ্যাকে অকট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর : বাইনারি সংখ্যাকে অকট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর করতে হলে প্রথমে বাইনারি সংখ্যাকে ৩ অঙ্কের গ্রুপে বিভক্ত করতে হবে। পূর্ণসংখ্যা ও ভগ্নাংশ সংখ্যাকে আলাদা আলাদাভাবে বিভক্ত করতে হবে। পূর্ণসংখ্যাকে ডান দিক থেকে বামদিকে এবং ভগ্নাংশ সংখ্যাকে বাম দিক থেকে ডান দিকে হিসাব করতে হবে। কোনো গ্রুপে ৩ অঙ্কের চেয়ে কম হলে পূর্ণসংখ্যার ক্ষেত্রে বাম দিকে ও ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ডান দিকে প্রয়োজন মতো ০ বসিয়ে ৩টি অঙ্ক পূর্ণ করতে হবে।