যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের পদত্যাগ

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত কিম ডারক পদত্যাগ করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তাদের পদত্যাগের ঘটনা ঘটল। গতকাল ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ডারকের পদত্যাগের খবর জানায়। এর আগে সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, রাষ্ট্রদূত ডারকের সঙ্গে আর কোনো কাজ করবে না হোয়াইট হাউজ। খবর সিএনএনের

জানা গেছে, ব্রিটেনের ভবিষ্যত্ প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। মঙ্গলবার রাতে এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে বরিস জনসন ডারককে সমর্থন দেবেন না বলে জানান। ব্রিটেনের এক কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। ব্রিটেনের ফরেন অফিস মিনিস্টার অ্যালান ডানকান বলেছেন, বরিস জনসন সমর্থন দিতে অস্বীকার করে মূলত ডারককে বাসের নীচে ফেলে দিয়েছেন। ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসের পার্মানেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি সিমন ম্যাকডোনাল্ডকে লেখা চিঠিতে ডারক বলেছেন, তিনি তার অবস্থান স্পষ্ট করার মাধ্যমে সব ধরনের অনুমানের সমাপ্তি ঘটাতে চান। তিনি লিখেছেন, ‘চলতি বছরের শেষ দিকে আমার মেয়াদ শেষ হবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার পক্ষে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। তাই যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কাউকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া উচিত’। সম্প্রতি ডারকের কিছু ইমেইল ফাঁস হয় যা প্রকাশ করে ব্রিটিশ পত্রিকা ডেইলি মেইল। ডারক ইমেইলে তার সরকারকে জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন অদক্ষ ও অকর্মা। তিনি আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জীবন শেষ পর্যন্ত অসম্মানের মধ্য দিয়ে শেষ হতে পারে। আর হোয়াইট হাউজের বর্তমান পরিস্থিতি ছুরি যুদ্ধের মতো।