গল টেস্টে এক সেশনে ১০ রেকর্ড, হারের দ্বারপ্রান্তে নিউজিল্যান্ড

গল টেস্টে দাপট দেখাচ্ছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে লঙ্কানদের করা ৬০২ রানের জবাবে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। বল হাতে ৬ উইকেট নিয়ে কিউই ব্যাটিং লাইন ধসিয়ে দেন স্পিনার প্রভাত জয়সুরিয়া। ৫১৪ রানের লিড পায় শ্রীলঙ্কা।

নিউজিল্যান্ডকে ফলো অনে পাঠায় লঙ্কানরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান সংগ্রহ করেছে কিউইরা। নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামার আগেই প্রথম সেশনে হয়েছে ১০ রেকর্ড।

রেকর্ডগুলো হলো-

* শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের টেস্টে সর্বনিম্ন রান এটি। এর আগে ১৯৯২ সালে কলম্বো টেস্টে ১০২ রান তুলেছিল কিউইরা।

* দক্ষিণ এশিয়ায় এটি নিউজিল্যান্ডের ৫ম সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। এর আগে ১৯৫৫ সাল ভারতের বিপক্ষে মুম্বাই টেস্টে ৬২ রান, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঢাকায় ৭০, ২০০২ সালে লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭৩ রান ও রাওয়ালপিন্ডিতে ১৯৬৫ সালে ৭৯ রানে অলআউট হয়েছিল কিউইরা।

* টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ৬০০ রান হজমের পর কোনো দল ১০০ এর নিচে অলআউট হওয়ার রেডর্ক করলো। এর আগের রেকর্ডও তাদেরই। ২০০২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬৪৩ রানের বিপরীতে তারা অলআউট হয় ৭৩ রানে। 

* টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র সপ্তমবার এবং গত ১৮ বছরে প্রথমবার কোনো দল প্রথম ইনিংসে ৫০০ এর বেশি রানের লিড পেয়েছে।

* টেস্ট ইতিহাসে প্রথম ইনিংস শেষে পঞ্চম সর্বোচ্চ লিড। সবার ওপরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৯৩৮ সালে ওভাল টেস্টে ইংল্যান্ডের ৭০২ রানের লিড। 

* প্রভাত জয়সুরিয়ার টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি নবমবারের মতো ৫ উইকেট শিকার। ৫ উইকেট শিকারের দিক থেকে শ্রীলঙ্কান বোলার হিসেবে চতুর্থ স্থানে আছেন তিনি। সবার ওপরে মুত্তিয়া মুরালিধরন (৬৭ বার), রঙ্গনা হেরাথ (৩৪ বার) এবং চামিন্দা ভাস (১২ বার)

* ১৬ টেস্ট শেষে স্পিনারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিবার (৯) পাঁচ উইকেট শিকার। সামগ্রিকভাবে ২য় সর্বোচ্চ। 

* শ্রীলঙ্কার এই ভেন্যুতে উইকেট শিকারের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে উঠে এলেন অফস্পিনার প্রভাত জয়সুরিয়া। তার ওপরে আছেন কেবল মুরালিধরন এবং হেরাথ। 

* মাত্র দ্বিতীয় শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার হিসেবে এক ইনিংসে ৫টি ক্যাচ নিয়েছেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা (উইকেটরক্ষক ব্যতীত)।

* একই বোলারের (প্রভাত জয়সুরিয়া) বলে ৫ ক্যাচ নিলেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। ইতিহাসে এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছে কেবল ৪ বার।