প্রশ্ন তসলিমা নাসরিনের

সৃজিত আছেন সাপ নিয়ে আর মিথিলা কন্যা, শিল্পীদের দাম্পত্য টেকে না কেন?

দেশের অনেক জনপ্রিয় তারকাই কলকাতার তারকাকে জীবন সঙ্গী করেছেন। আবার অনেকে ভালোবেসে সম্পর্কে জড়ানোর পরে কেউ হয়তো হেঁটেছেন বিচ্ছেদের পথে। আবার কেউ সুখেই কাটাচ্ছেন তাদের দাম্পত্য।

কবীর সুমন-সাবিনা ইয়াসমিন থেকে অর্ণব-সাহানা, সৃজিত-মিথিলা অনেকেই সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এক ছাদের নিচেই থাকতে চেয়েছেন বাকিটা জীবন। তবে হাতে হাত রেখে খুব বেশি দিন টিকতে পারেননি তারা।

সম্প্রতি দুই বাংলার তারকাদের বিবাহ-বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বললেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। দুই বাংলার শিল্পীদের দাম্পত্য দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না কেন, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। 

সেই প্রসঙ্গ সামনে রেখেই তসলিমা প্রশ্ন তুলেছেন, পরিচালক সৃজিত মুখার্জি ও অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার দাম্পত্য জীবন নিয়ে। তবে কি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছে এই জুটি?


যদিও বর্তমান সময়ের দুই বাংলার আলোচিত দম্পতি  পরিচালক সৃজিত মুখার্জি ও অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সম্পর্ক এখনও রয়েছে। কিন্তু এই তারকা জুটির সংসার ভাঙার খবর বহুদিন ধরেই ডালপালা মেলছে। 


গত ৮ অক্টোবর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টি নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। যেখানে দুই বাংলার শিল্পীদের দাম্পত্য জীবন কেন দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না? সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি সুমন-সাবিনার উদাহরণও টেনে এনেছেন এই লেখিকা।


পাঠকদের জন্য তসলিমার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

‘বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের মধ্যে রোমান্টিক বা বৈবাহিক সম্পর্ক কেন টিকছে না? সাবিনা ইয়াসমিন আর কবীর সুমন বিয়ে করলেন। বিরাট হইচই হলো। দুইজনে কিছুদিন একসঙ্গে গান গাইলেন। এরপর নিস্তব্ধতা। যে যার মতো যার যার দেশে জীবন যাপন করছেন। সাবিনা আর সুমনের মধ্যে কোনো সম্পর্ক অবশিষ্ট রয়েছে বলে মনে হয় না।

এরপর সৃজিত আর মিথিলা বিয়ে করলেন। বিরাট হইচই হলো। দুইজনে কিছু দিন একসঙ্গে চলাফেরা করলেন। এরপর নিস্তব্ধতা। যে যার মতো যার যার দেশে জীবনযাপন করছেন।

সৃজিত তার ১০-১২টা সাপ নিয়ে, আর মিথিলা তার কন্যা নিয়ে। মিলন থাকলে বিচ্ছেদ থাকে, এ নতুন কিছু নয়। কিন্তু তারপরেও মনে হয়, দুই দেশের মানুষের মধ্যে হৃদয়ের বন্ধন দৃঢ় হলে অসাম্প্রদায়িকতার নিদর্শন চমৎকার হতে পারত।’