শপিং করতে কে না পছন্দ করে! সেই সঙ্গে ঘোরাঘুরি তো আছেই। সংযুক্ত আরব আমিরাতে খেলতে গিয়ে এ দুটি কাজ সেভাবে করার সময় পাননি নিগার সুলতানা জ্যোতিরা, এমনই আক্ষেপ করেছেন গতকালের সংবাদ সম্মেলনে। অনেকেই দুবাই যান ঘোরাঘুরি আর শপিংয়ের জন্য। জ্যোতিরা গিয়েছেন বিশ্বকাপ খেলতে। তাতে 'এক ঢিলে দুই পাখি মারার' সুবর্ণ সুযোগ তাদের সামনে।
খেলার পাশাপাশি ঝাঁ চকচকে অট্টালিকা ঘেরা দুবাইয়ে শপিংয়ের স্বাদ নিতে চান জ্যোতিরা। শপিং ও ঘোরাঘুরি নিয়ে নিগার সুলতানা জ্যোতি বলেছেন, 'এখনো সেভাবে সুযোগ পাইনি। তবে অনেকেই শপিংমলে গিয়ে কেনাকাটা করেছেন। দুবাই শপিংয়ের জন্য বিখ্যাত। খেলোয়াড়দের জন্যও এটা ভালো বিষয় যে, বাইরে ঘোরাঘুরি করা এবং বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণ করা। এতে মনও ভালো থাকে এবং আমি মনে করি, সবাই এটা উপভোগ করেন।'
তবে ঘোরাঘুরির সুযোগ যে কম এসেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের, সেটিও নয়। বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে ভালো সময়ই কাটছে জাহানারা আলম জ্যোতিদের। দুবাইয়ের সিটি সেন্টার শপিং কমপ্লেক্সে ঘোরাঘুরির মুহূর্তে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন পেসার জাহানারা। এবারের বিশ্বকাপে একটি ম্যাচ জেতার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন অধিনায়ক জ্যোতি। চার আসর পরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই সেটি করেছেন। এরপরে সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখছেন তারা।
গেল ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের সুযোগ থাকলেও টাইগ্রেসরা হেরেছে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে জয় তুলে নেওয়ায় বাংলাদেশের সমীকরণ কিছুটা কঠিন হয়ে উঠেছে। আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই। টিকে থাকার জন্য জয় তুলে নিতে হবে জ্যোতিদের। ইংলিশদের বিপক্ষে হারের হতাশা ভুলে থাকার জন্য শপিং ও ঘোরাঘুরি যদি কাজে দেয়, তাহলে সেটি দোষের কিছু নয়। কেবল বাংলাদেশ নয়, এমন সুযোগ যে কোনো দলের ক্রিকেটাররা নিয়ে থাকেন।