গঙ্গাচড়ায় বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। এতে ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
বন্যা মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য সাড়ে পনের টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নোহালী ইউনিয়নে ৩ টন, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নে ৪ টন, কোলকোন্দ ইউনিয়নে ৪ টন, গজঘন্টা ইউনিয়নে আড়াই টন এবং আলমবিদিতর ইউনিয়নে ২ টন। এ ছাড়া আজ শনিবার ২ হাজার প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। প্রতি প্যাকেটে থাকছে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি আলু, ৫০০ গ্রাম ডাল, সোয়াবিন তেল অর্ধ লিটার, লবন ৫০০ গ্রাম, ওরস্যালাইন ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট। এর আগে বিভিন্ন ইউনিয়নে ৮৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়।
এদিকে প্রতিষ্ঠানে পানি উঠার কারণে সাউথপাড়া আলিম মাদ্রাসা অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান জানিয়েছেন।
আরো পড়ুন: আরো ভারী বর্ষণ-ভূমিধসের সম্ভাবনা
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। সরকারিভাবে সাড়ে ৭ হাজার পরিবার পানিবন্দি দেখানো হয়েছে। তবে তিনি বলেন, পানি যে ভাবে বাড়ছে তাতে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ১০ হাজারে উন্নীত হবে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী আমিনুর রহমান জানান, তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদ সীমার ৫০ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার রাত থেকেই ডালিয়া পয়েন্টে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআরএম