পরিবহনে চাঁদাবাজি হলে আমাকে জানান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পুলিশ পরিবহন সেক্টরে সমন্বয় করে সহায়তা দেয়। তারপরও কেউ পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি করলে তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়ক ও মহাসড়কে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান আটকে পুলিশ হয়রানি করলে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়ী কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি) সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় সমিতির জেলা পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্যে উঠে আসে সড়ক-মহাসড়কে পুলিশ হয়রানি ও চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ। পাশাপাশি পরিবহন আইন-২০১৮ এর বিষয়ে যে আপত্তি আছে সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির অনুরোধ জানান সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা।

পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সভায় বলেন, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক ও চালককে গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও  ড্রাইভিং লাইসেন্স সবসময় হালনাগাদ রাখতে হবে। উপস্থিত ট্রাক ও  কাভার্ডভ্যান মালিকদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ আপনাদের সহযোগিতার জন্য। যদি কেউ চাঁদাবাজি করে, কোনো না কোনো অনিয়ম যদি আপনাদের চোখে পড়ে, লিখিত অভিযোগ জানাবেন। জায়গায় জায়গায় আমরা হাইওয়ে পুলিশের স্টেশন করে দিচ্ছি। সেসব জায়গা বাদেও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তারা যদি অন্যায় করে থাকে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের অর্থনীতি গতিশীল রাখতে পরিবহন খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, সড়কের শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মশিউর রহমান রাঙা, সমিতির মহাসচিব  খন্দকার এনায়তে উল্যাহ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রুস্তম আলী খানসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতারা। বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি হাজী মো. তোফাজ্জল হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন সমিতির যুগ্ম সম্পাদক হোসেন আহম্মেদ মজুমদার। বিভিন্ন জেলা থেকে মালিক সমিতির প্রায় দেড় হাজার প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।