টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে খেলতে নেমে স্কোরবোর্ডে যোগ করে ৩২১ রান। বোলিংয়ে নেমে শুরুটাও হয় দারুণ। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অভিষিক্ত আমির জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। এতে তিন ম্যাচের সিরিজে ৩-০ তে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা পেলো সফরকারীরা।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সেন্ট কিটসের বাসেটেরের ওয়ার্নার পার্কে টস জিতে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে পাঠান ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক শাই হোপ। সৌম্য সরকার, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও জাকের আলির ফিফটিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩২১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।
সৌম্য ৭৩ বলে ৭৩, মিরাজ ৭৩ বলে ৭৭ রান করেন। এছাড়া মাহমুদউল্লাহ ৬৩ বলে ৮৪ ও জাকের ৫৭ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আলজারি জোসেফ নেন ২টি উইকেট।
৩২২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১০ বলে ১৫ করে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ব্রান্ডন কিং। এর দ্রুতই আরও জোড়া উইকেট হারায় ক্যারিবিয়ানরা।
অলিক আথানজেকে বোল্ড করে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন নাসুম আহমেদ। ৮ বলে ৭ রান করে আউট হন তিনি। এরপর ৬ বলে ৩ রান করা শাই হোপকে আউট করেন পেসার হাসান মাহমুদ।
হোপের বিদায়ের পর শেরফান রাদারফোর্ডকে সঙ্গে নিয়ে শুরু ধাক্কা সামাল দেন কিসি কার্টি। ৫৫ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৮৬ রানে ৩৩ বলে ৩০ রান করে আউট হন রাদারফোর্ড।
এরপর অভিষিক্ত আমির জাঙ্গুকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন কার্টি সাবলীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন এই দুই ব্যাটার। ১৩২ রানের জুটি গড়েন তারা। সেঞ্চুরি থেকে ৫ দূরে থেকে আউট হন কার্টি। ৮৮ বলে ৯৫ রান করেন তিনি।
এরপর দ্রুতই রস্টন চেজকে আউট করে বাংলাদেশকে আশা দেখান রিশাদ হোসেন। তবে গুড়াকেশ মোতিকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন জাঙ্গু। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে অভিষেক ম্যাচেই ৭৯ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ব্যাটার।
তাদের ব্যাটে ভর করে ২৪ হাতে রেখে জয়ের দেখা পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জাঙ্গু ৮৩ বলে ১০৪ ও গুড়াকেশ ৩১ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ নেন ২টি উইকেট।