‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত মানে হচ্ছে শ্রমিকের মর্যাদাপূর্ণ মজুরির ব্যবস্থা’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ভবিষ্যত রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মানে হচ্ছে এমন বন্দোবস্ত, যেখানে বাঁচার মতো মর্যাদাপূর্ণ মজুরি যেন শ্রমিকরা পায় সেটা নিশ্চিত করা। নতুন বন্দোবস্ত মানে কৃষক যেন ফসলের ন্যায্য দাম পায়।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় সিলেটের শহীদ সোলেয়মান হল, মুসলিম সাহিত্য সংসদ চৌহাট্টা, সিলেট জেলা কমিটির উদ্যোগে ‘রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রুপান্তরে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা’র দাবিতে গণসংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

গণসংলাপে প্রধান অতিথি বক্তব্যে জোনায়েদ সাকি বলেন, আমরা চাই মানুষ যে পরিচয়ই হোক না কেন - কোন ধর্মের, কোন বর্ণের, কোন লিঙ্গীয় পরিচয়ের সেটা রাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ না, রাষ্ট্রের কাছে সকলেই নাগরিক, সকলের মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে এমন বন্দোবস্ত। এর বাইরে কোন বন্দোবস্ত চাই না।

তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট পতিত দলের প্রধান পালিয়ে গিয়ে ভারতে বিজেপির সহায়তা নিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তৈরির চেষ্টা করছে। আমাদের মাঝে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা করছে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, কুমিল্লায় মুক্তিযোদ্ধাকে অসম্মান যারা করছে তারাও ঐ ফ্যাসিস্টদের দোসর, ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চায়। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

গণসংলাপে বক্তব্য দেন রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জুলহাসনাই বাবু, জাতীয় পরিষদ সদস্য জুনেদ আহমেদ, সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়নের সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক ওমর ফারুক, ভাসানী অনুষারী পরিষদের জেলা সংগঠক মাহমুদুর রহমান ওয়াইস, লিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুল ইসলাম, লাক্কাতুরা চা বাগান স্কুল শিক্ষক সবিতা গোয়ালসহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠকসহ থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে নেতৃবৃন্দ। সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা সংগঠক নিগাত সাদিয়া।