জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র, মুক্তিবাহিনীর অন্যতম সংগঠক এবং প্রতিথযশা ক্রীড়া সংগঠক শেখ কামাল ও কৃতী অ্যাথলেট সুলতানা কামাল খুকির ৪৪তম বিবাহবার্ষিকী ছিল গতকাল রবিবার। ১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে হয় তাঁদের। তারপর মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নির্মমতম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন এই নবদম্পতি। জাতির জনক সপরিবারে নিহত হওয়ার বিভীষিকাময় সেই রাতে এই সুখী দম্পতিকেও নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করে ঘাতকরা। সে সময় শেখ কামালের বয়স ছিল মাত্র ২৬ বছর। আর ক্রীড়াবিদ সুলতানা কামালের ২৩ বছর। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ির নিচতলায় শেখ কামালকে হত্যার পর দোতলায় ওঠার সিঁড়িতে খুনিরা বঙ্গবন্ধুর বুকে গুলি চালিয়ে তাঁকে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। ঢাকা আবাহনী লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল ছিলেন আধুনিক ক্রীড়াঙ্গনের স্থপতি। শুধু ক্রীড়াক্ষেত্র নয়, শিল্প-সংস্কৃতির প্রতিটি শাখায় ছিল তাঁর অসামান্য অবদান। আর সুলতানা কামাল ষাটের দশক থেকে শুরু করে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত অ্যাথলেটিক ট্র্যাক দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। লং জাম্প ও ১০০ মিটার হার্ডলসে বরাবরই ছিলেন সেরা। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই ক্রীড়া নক্ষত্র ১৯৭০ সালে পাকিস্তান গেমসে লং জাম্পে প্রথম হয়ে তাক লাগিয়ে দেন।