নাগেশ্বরীতে বন্যার পানির তীব্র স্রোতে ভেঙ্গে গেছে বেড়িবাঁধ। প্রচণ্ড গতিবেগে ঢুকছে পানি। তলিয়ে যাচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। ক্রমেই অবনতি ঘটছে বন্যা পরিস্থিতির। ফলে ১১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে নুনখাওয়া, নারায়নপুর, কেদার, বল্লভেরখাস, কচাকাটা, কালীগঞ্জ, বেরুবাড়ী, বামনডাঙ্গা, রায়গঞ্জ, ভিতরবন্দ, আংশিক প্লাবিত হাসনাবাদ ইউনিয়ন। উপজেলা সদরের সঙ্গে এই ইউনিয়নগুলোর যোগাযোগ স্থাপনকারী মুল সড়কগুলোও তলিয়ে গেছে।
সোমবার সকালে বন্যার পানির তীব্র স্রোতে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের তেলিয়ানীতে বেড়িবাঁধের ২ টি জায়গা ভেঙ্গে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করছে। এতে আরো নতুন করে প্লাবিত হয়েছে পৌরসভার এবং নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩, ৪, ৭, ৮, ৯নং ওয়ার্ড। চন্ডীপুর থেকে কুমরপুর পর্যন্ত নাগেশ্বরী-কুড়িগ্রাম সড়কের উপর দিয়ে তীব্র স্রোতে প্রবাহিত হচ্ছে বন্যার পানি। যেকোনো মুহূর্তে সেটি ভেঙ্গে গেলে নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে জেলা সদর থেকে। যেভাবে পানি বাড়ছে তাতে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটতে পারে।
আরও পড়ুন: বিয়ের এক মাসের মাথায় নুসরতের মন খারাপ!
মৎস্য ও কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী, বন্যার পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ৬শত পুকুরের মাছ। সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়েছে ৯০০ হেক্টর আউশ ধান ক্ষেত, ৩০০ হেক্টর রোপা আমন বীজ তলা, ২৫০ হেক্টর সবজি ক্ষেত, আংশিক নিমজ্জিত ১৫০০ হেক্টর জমির পাটক্ষেত। ইতোমধ্যে পানিবন্দি হওয়ায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ১১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতির অবস্থা ও বানভাসিদের খবর নেওয়া হচ্ছে। বন্যার্ত এলাকায় বিতরণ করা হয়েছে সরকারি বরাদ্দের ৩৫ মে. টন চাউল, ৯০ হাজার টাকা ও ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার।
ইত্তেফাক/বিএএফ