নির্বাচনের আগে তারা গর্ত থেকে বের হয়ে আসছে --------সজীব ওয়াজেদ জয়

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, মনোনয়ন দেওয়ার মতো ৩০০ যোগ্য প্রার্থী নেই বিএনপির।  তারা শেষ যেবার ক্ষমতায় ছিল সেটি ছিল দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সহিংস এবং দুর্নীতিপরায়ন সরকার। অবশ্য তখন তাদের সারা পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার হিসেবে কুখ্যাতিও ছিল। গতকাল সোমবার সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুক পাতায় দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন। 

একদশ সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই বিএনপি ধারাবাহিকভাবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে দাবি করে জয় লিখেছেন, প্রথমে তারা অভিযোগ করলো গ্রেফতার নিয়ে। তাদের কর্মীরা ২০১৩-২০১৫ সাল পর্যন্ত কয়েক হাজার আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে। শত শত নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে, আহত করেছে হাজার হাজার নারী-পুরুষ-শিশুকে। এসব ঘটনার পেছনে চিহ্নিত বেশির ভাগ লোকেরাই এতদিন লুকিয়ে ছিল অথবা দেশের বাইরে পালিয়েছিল। এখন নির্বাচনের আগে তারা   গর্ত থেকে বেরিয়ে আসছে, এমনকি নির্বাচনেও অংশ নিচ্ছে। এদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কী করা উচিত? সামনে নির্বাচন বলে তাদের আইনের আওতায় আনা যাবে না? এদের জায়গা তো জেলখানা নয়, এদের জায়গা ফাঁসিকাষ্ঠে।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বিএনপি তাদের মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল নিয়ে অভিযোগ করছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভাইস চেয়ারপারসন দু’জনেই আদালতে সাজাপ্রাপ্ত। তারেক রহমান একজন পলাতক আসামি এবং হত্যা ও সন্ত্রাসের দায়ে অভিযুক্ত। তিনি লন্ডনে বসে তার দলের প্রার্থীদের সাক্ষাত্কার নিচ্ছেন। একজন পলাতক খুনীর হাতে নির্বাচিত প্রার্থী আর কেমনইবা হতে পারে? তাদের বেশিরভাগ প্রার্থীই হয় অপরাধী না হয় দুর্নীতিগ্রস্ত, ঋণখেলাপি, এমনকি তাদের নামে হত্যা মামলাও আছে। যেমন আবুল কালাম মোহাম্মদ রিয়াজুল করিম, যিনি পিরোজপুর থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন, বৃটিশ আদালতের চিহ্নিত ফেরারি আসামি! নির্বাচন কমিশনের কি আসলেই উচিত ছিল এসব চিহ্নিত ফেরারি আসামি, ঋণখেলাপিদের নির্বাচন করতে দেওয়া? বিএনপি মোট আসনের দ্বিগুণ প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে, প্রতিটি আসনে কমপক্ষে দুইজনকে মনোনয়ন দিয়েছে তারা। কারণ তারা জানে তাদের বেশিরভাগ প্রার্থীই হয় কোন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি না হয় ঋণখেলাপি এবং এরা নির্বাচনের অযোগ্য। এখন তারা নির্বাচন কমিশনকে কলঙ্কিত করতে এটাকে ব্যবহার করছে।

জয় বলেন, যেসব প্রার্থীর দুর্নাম আছে, আইনি অভিযোগ আছে মাত্র, এমন প্রার্থীদের বাদ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। শুধুমাত্র জনমতের কারণে, যেসব বর্তমান সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোন ধরনের অভিযোগ আছে আদালতে তা খারিজ হয়ে গেলেও আওয়ামী লীগ এমন প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়নি। মানুষের জন্য কাজ করে যে দল, তাদের পক্ষেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।