স্পোর্টস ডেস্ক
তিন বলে তখন জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের দরকার নয় রান। বোলিংয়ে ট্রেন্ট বোল্ট। ব্যাটিংয়ে বেন স্টোকস। নন স্ট্রাইকে ছিলেন আদিল রশিদ। স্টোকসে যে করেই হোক স্ট্রাইক ধরে রাখতে মরিয়া ছিলেন। কারণ, তিনি স্ট্রাইক পালটালেই ট্রফি হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার শঙ্কার মুখে পড়তে হতো ইংল্যান্ডকে।
শেষ ওভারের চতুর্থ বলটায় মিড উইকেটে ঠেলে দিয়ে দুই রান নেওয়ার চেষ্টা করেন স্টোকস। ওপার থেকে বল থ্রো করেন মার্টিন গাপটিল। শেষ প্রান্তে পৌঁছাতে ড্রাইভ দেন স্টোকস।
বলটি তার ব্যাটে লেগে বাউন্ডারিতে চলে যায়। ব্যাট হাতে দুই আর ওভার-থ্রো তে চার রান মিলে ইংল্যান্ডের স্কোর বোর্ডে ছয় রান যোগ করার নির্দেশ দেন লঙ্কান আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা। শেষ দুই বল থেকে ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য তিন রান দরকার ছিল। ইংল্যান্ড করে দুই রান। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সুপার ওভারে দুদলই ১৫ করে রান করলে বাউন্ডারিতে এগিয়ে থেকে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় ইংল্যান্ড।
ম্যাচ শেষে ঐ ওভার থ্রোর ডেলিভারিতে ছয় রান আসা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। আইসিসির আইনের ১৮.৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী ওভার থ্রোতে যদি বাউন্ডারি আসে, তাহলে দৌড়ে নেওয়া রানের সঙ্গে সেটা যোগ হয়। তবে সেক্ষেত্রে বাউন্ডারির সঙ্গে দৌড়ে নেওয়া রান ততগুলোই যোগ হবে যতগুলো ব্যাটসম্যানরা শেষ করেছে। অর্থাত্, ফিল্ডার বল থ্রো করার মুহূর্তে যদি ব্যাটসম্যানরা একে অপরকে অতিক্রম করে তবেই সেই রান যোগ হবে। টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা গেছে রশিদ ও স্টোকস একে অপরকে অতিক্রম করার আগেই গাপটিল থ্রো করেছিলেন। সেক্ষেত্রে, নিয়ম অনুযায়ী ইংল্যান্ড ছয় না, বরং পাঁচ রান পায়। আর সেই একটা রান কমে গেলেই আর সুপার ওভারে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। নিউজিল্যান্ড জিতে যায়। ফাইনাল ম্যাচে এমন ভুল মেনে নিতে পারছেন না আইসিসির সাবেক প্যানেলভুক্ত আম্পায়ার সাইমন টফেল। তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ডের পাঁচ রান যোগ হওয়ার কথা ছিল, ছয় রান নয়। এখানে আম্পায়ারের পরিষ্কার ভুল ছিল।’