কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন

  রফিক উদ্দিন বাবুল, উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা

সাম্প্রতিক সময়ে টানা বর্ষণে সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ২৫/ ৩০ টন পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল ও টানা বর্ষণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোটো বড়ো অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মরিচ্যা, কোর্টবাজার, উখিয়া সদর, কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী ও পালংখালী সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোটো বড়ো গর্ত। গর্তগুলো পানিতে ডুবে থাকায় সড়কটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্পেশাল সার্ভিসের চালক জসিম উদ্দিন জানান, কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে অসংখ্য গর্ত। এ গর্তগুলোতে পানি জমা থাকায় সাবধানে গাড়ি চালাতে হয়। গর্তে পড়ে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কোর্টবাজার-ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি মো. শাহজাহান বলেন, তার সমিতির প্রায় শতাধিক ভারী যানবাহন টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত যাতায়াত করে থাকে। সমিতির অধিকাংশ চালক ও মালিকের অভিযোগ কক্সবাজার টেকনাফ সড়কে তাদের গাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। এ মহাসড়ক দিয়ে দেড় শতাধিক এনজিওর প্রায় ২ হাজারেরও অধিক যানবাহন চলাচল করছে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা আসার পর থেকে এনজিওদের কার্যক্রম শুরু হয়। রোহিঙ্গাদের থাকা-খাওয়াসহ আনুষঙ্গিক ত্রাণ সহায়তা প্রদানে এ সড়ক ব্যবহার করেছে অসংখ্য যানবাহন। ফলে সংকোচিত ও ভারসাম্যহীন সড়কটি দিন দিন ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। যে কারণে বর্তমানে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, সড়কের উভয় দিকে ৩ ফুট করে ৬ ফুট এবং জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৪৫ ফুট সড়ক সম্প্রসারণ করা হবে। নির্মাণ কাজের গুণগতমান ও টেকসই উন্নয়ন কাজের তদারকি করার জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত উন্নয়ন কাজ তদারকি করবেন।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়ক সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন কাজের জন্য এডিবি ৫৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।