রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিত্সককে রোগীর স্বজন কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-বিএমএ। নেতৃবৃন্দ বলেছেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত একজন চিকিত্সকের ওপর এ ধরনের বর্বরোচিত হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিএমএ নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই রামপুরা ট্রাফিক জোনের সহকারী কমিশনার হুমায়ূন কবীর ও সরকারি কর্মকর্তা কোহিনুর আক্তার তাদের ছয় মাস বয়সি অসুস্থ মেয়ের চিকিত্সার জন্য স্কয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। কর্তব্যরত চিকিত্সক শিশুটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থাপত্র লিখে দেন। কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তা তার শিশুকে একজন সিনিয়র কনসালট্যান্টকে দেখাতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিত্সক ডা. নাসিম হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী একজন শিশু বিশেষজ্ঞকে কল করেন। কিন্তু সেই শিশু বিশেষজ্ঞের আসতে দেরি হওয়ায় ওই পুলিশ কর্মকর্তা ডা. নাসিমকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং পুলিশ কর্মকর্তা ও তার শ্যালক ডা. নাসিমকে শারীরিক নির্যাতন করেন এবং মামলা দিয়ে গ্রেফতারের ভয় দেখান।
বিএমএ নেতৃবৃন্দ চিকিত্সকের ওপর হামরাকারীদের আইনের আওতায় আনতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক ভূমিকা প্রতাশা করেন। একই সঙ্গে তারা হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিত্সকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বানও জানান। —প্রেস বিজ্ঞপ্তি