রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্রের গ্রিন সিটি প্রকল্পে সরকারি জিনিসপত্র কেনাকাটায় দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। এতে প্রকল্প এলাকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিছানা, বালিশ ও আসবাবপত্র কিনতে অস্বাভাবিক মূল্য ধরার অভিযোগের সত্যতা রয়েছে।
গতকাল সোমবার অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। বিভিন্নজনের বিষয়ে সুপারিশ রয়েছে। তবে যেহেতু এটি আদালতে জমা দেওয়া হবে, তাই প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’
জানা গেছে, কেনাকাটার হিসাবে মালামালের প্রকৃত মূল্য থেকে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ ৯ হাজার টাকা বেশি দেখানো হয়েছে। এ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ আলমসহ অর্ধশত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অতিরিক্ত টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এর আগে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
গত ২ জুলাই প্রকল্পের কেনাকাটায় অনিয়ম হয়েছে কি না—এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে দুই সপ্তাহ সময় বেঁধে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রুল জারি করেন আদালত। রুলে সরকারি জিনিসপত্র কেনাকাটায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।