গবাদিপশুর প্রধান খাদ্য লতা-গুল্ম তথা সবুজ ঘাস। ‘কৃষিতথ্য সার্ভিসে’র তথ্য অনুযায়ী একটি গরুর প্রতিদিনের আদর্শ খাদ্যতালিকা:
n কাঁচাঘাস ৫-৬ কেজি।
n দানাদার হিসেবে বিভিন্ন ডালের ভুসি ২-৩ কেজি, সঙ্গে ২-৩ কেজি চালের কুঁড়া ও গমের ভুসি।
n গরুর ত্বক মসৃণ ও স্বাভাবিকভাবে চর্বি বৃদ্ধির জন্য দৈনিক ২৫০ গ্রাম সরিষার খৈল।
n যথেষ্ট পরিমাণ ভাতের মাড়, চাল ধোয়া পানি, সবজি ও ফলের খোসা, নিরাপদ পানি ও লবণ ইত্যাদি।
ইদানীং বিভিন্ন এলাকায় গো-খাদ্য হিসেবে কারখানার পরিত্যক্ত তুলা ব্যবহূত হচ্ছে। অনেকে তুলা খাওয়ান পশুস্বাস্থ্যের উন্নতির আশায়! অথচ সুতা উত্পাদন কাজে ব্যবহূত তুলা বিভিন্ন মেশিনে রিসাইক্লিং হয়ে কিছু তুলা পরিত্যক্ত হয়। গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহূত স্পিনিং কারখানার পরিত্যক্ত তুলার সঙ্গে বিভিন্ন লোহার তার, সুতা, ময়লা, নানান রাসায়নিক থাকে। প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের তথ্য হলো, কারখানার পরিত্যক্ত তুলা অখাদ্য ও তা পশুস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে কোনো কোনো দেশে তুলার বীজ থেকে প্রাপ্ত পরিশোধিত খাবার তেল এবং সাবান তৈরিতে অপরিশোধিত তেল ব্যবহূত হচ্ছে। ঐ প্রক্রিয়ায় উত্পন্ন তুলার বীজের খৈল পশুখাদ্য ও জৈবসার হিসেবে ব্যবহূত হয়।
আমি কোথাও কোনো রচনায় গো-খাদ্যের তালিকায় তুলার বিবরণ পাইনি। কাজেই, জিজ্ঞাসা—তুলা কি গো-খাদ্য?
মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ
সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইসলামিক স্টাডিজ, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, কাপাসিয়া, গাজীপুর ১৭৩০