সাভারে একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাত পরিচয় (২৯) আরো এক নারীর অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বলিয়ারপুর এলাকার হযরত আলী মোল্ল্যার ইটভাটার পাশের ডোবা থেকে ঐ নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, বিকালে বলিয়ারপুর এলাকার হযরত আলীর ইটভাটার পাশের ডোবায় অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হলে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এর আগে গত সোমবার দুপুরে মাত্র ২০০ গজ দূরে সিটি করপোরেশনের ময়লার ডাম্পিং স্টেশন থেকে অজ্ঞাত এক নারীর ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করেছিল সাভার মডেল থানা পুলিশ। একই স্থান থেকে পরপর দুদিন অজ্ঞাত দুই নারীর লাশ উদ্ধার করায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. হামিদুর রহমান বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করে অজ্ঞাত ঐ নারীর পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, আড়াইহাজারে শ্বশুরবাড়ি থেকে শাহ আলম (৩২) নামের এক জামাতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের চৌথার কান্দা থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবক উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী গ্রামের আম্মর আলীর ছেলে।
আড়াইহাজার থানার উপপরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম জানান, তিন বছর আগে মারুয়াদী গ্রামের আম্মর আলীর ছেলে শাহআলমের সাথে পার্শ্ববর্তী গ্রাম চৌথার কান্দার আলাউদ্দিনের মেয়ে সুমির বিয়ে হয়। পরে তাদের একটি কন্যা সন্তান হয়। সোমবার দিন সুমির বাবা আলাউদ্দিন তার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ি মারুয়াদী থেকে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে রাতে নিহত শাহ আলমের শ্যালিকা শিরিনা তাকে ফোন করে তাদের বাড়িতে আসতে বলেন। শ্যালিকার ফোন পেয়ে রাত ১০টার দিকে শাহআলম শ্বশুর বাড়িতে যায়। এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন বাড়ির পাশে শাহ আলমের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে। নিহতের মা মমতাজ বেগম জানান, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।