স্পোর্টস রিপোর্টার
খালেদ মাহমুদ সুজন বিসিবির পরিচালক, গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান। সঙ্গে রয়েছে আরো অনেক দায়িত্ব। স্টিভ রোডসের বিদায়ের পর ঘরের মানুষ সুজনকেই শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত কোচের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছে বিসিবি। কিন্তু গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে টাইগারদের অনুশীলন শুরু হয়ে গেলেও এই সিরিজে দলে তার দায়িত্ব বিষয়ে সুজনের সঙ্গে বোর্ডের আনুষ্ঠানিক কোনো আলাপ হয়নি।
অনুশীলন দেখভালের দায়িত্বটা নাকি মৌখিকভাবে দিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান। তবে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবে কাজ করার আগ্রহ আরেকবার প্রকাশ করেছেন সুজন। অবশ্য দেশের জন্য বিসিবির দেয়া যে কোনো দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত বিসিবির এই পরিচালক।
গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে মাশরাফি-মুস্তাফিজদের অনুশীলনের আগে কোচের দায়িত্ব প্রসঙ্গে সুজন সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমার সঙ্গে এখনো কোনো কথা হয়নি এই ব্যাপারে। বোর্ড আমার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। আকরাম ভাই আমাকে বলেছে, তুই আপাতত দেখাশোনা কর। যেহেতু এখন আমাদের কোচ নেই। বোর্ড এখন পর্যন্ত আমার সঙ্গে অফিসিয়ালি কোনো যোগাযোগ করেনি।’
তিন দিনের অনুশীলন পর্ব পরিচালনার দিকেই নজর এখন সুজনের। তিনি বলেছেন, ‘আপাতত এই দুই তিন দিন ট্রেইনিং সেশনে অবশ্যই কাজ করব। এরপর বোঝা যাবে কি হবে না হবে। আপাতত যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেটাই করি। যেহেতু আমি দলের সঙ্গে থাকি, কোচ হিসেবে না থাকলেও ম্যানেজার হিসেবে থাকতাম। ঐ ভাবেই আসলে, যেহেতু আকরাম ভাই বলেছেন সেভাবেই কাজ করছি।’ বিসিবির ডাকে যে কোনো দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত সাবেক এই অধিনায়ক। গতকাল বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা, আমি এতদিন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে আছি। দেশের স্বার্থে আমি সবসময় কাজ করে যেতে চাই। দেশের যদি আমাকে প্রয়োজন হয় আমি প্রস্তুত। তবে এখনো আমার সঙ্গে সেভাবে যোগাযোগ হয়নি। এর মধ্যে আমরা নতুন কোচ পেয়েও যেতে পারি। এমন যদি হয় তাহলে তো ভালোই।’ ২০১৮ সালেও দেশের মাটিতে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট, টি-২০ সিরিজে দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন সুজন। তবে এবার নির্দিষ্ট সিরিজ নয়, লম্বা মেয়াদে দায়িত্ব চান তিনি। সুজন বলেন, ‘সময়ের প্রয়োজন হয় পরিকল্পনা করার জন্য। যে কোনো কোচেরই এটা থাকে। যদিও আমি বাংলাদেশ দলের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানি। কারণ দলের সঙ্গে আমি অনেক দিন ধরেই আছি। তারপরও দীর্ঘ সময়ের জন্য সুযোগ পেলে যে কোনো মানুষের জন্য কাজ করতে অবশ্যই সুবিধা হয়।’