ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। শুধু তাই নয় কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নেও কাজ শুরু করতে সম্মত হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পরাশক্তি। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ইউরোপের কপালে।
চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবের রিয়াদে ওয়াশিংটন ও মস্কোর প্রতিনিধিদের সাড়ে চার ঘণ্টা বৈঠকে কোনো ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাকে রাখা হয়নি। সেই সঙ্গে কোনো ইউরোপীয় দেশের প্রতিনিধিদেরও ডাকা হয়নি সেখানে।
এ অবস্থায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে আগামী সপ্তাহে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন।
মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে অন্যান্য বৈঠকের মধ্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফর করবেন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ওয়াল্টজ ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেন, আমরা সব পক্ষের সঙ্গে জড়িত রয়েছি।
ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ইউরোপীয়দের কণ্ঠস্বরের প্রতিনিধিত্ব করতে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন। তিনি জোর দিয়ে বলবেন, তাদের ছাড়া ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হতে পারে না।
মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সাথে সাক্ষাত করেছেন, যেখানে তারা কিয়েভ বা ইউরোপীয় দেশগুলির অংশগ্রহণ ছাড়াই ইউক্রেন নিয়ে আরও আলোচনা করতে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে।