‘রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে নতুন বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চলছে’

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন নতুন বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ‘অনেক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম। অনেক দেশে আমরা পণ্য রপ্তানি করতে পারি না। আমাদের পণ্য রপ্তানি করে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অনেক দেশ লাভবান হচ্ছে। সেই সব বাজারে আমাদের প্রবেশ করতে হবে। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে ব্রাজিল-রাশিয়ার মতো বড়ো রপ্তানি বাজারগুলোতে প্রবেশের প্রচেষ্টা চলছে।’

টিপু মুনশি গতকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অব এ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি :প্রোসপেক্ট অ্যান্ড অবসটেকলস’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।

মুনশি বলেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে এনার্জির ব্যবহার কমিয়ে সোলারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিশ্বমানের সোলার প্যানেল এখন বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে এবং বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। রিসাইক্লিং করে পানির ব্যবহার অনেক কমানো সম্ভব। এতে পণ্যের উত্পাদন খরচ অনেক কমে আসবে।

তিনি বলেন, এদেশের পণ্যের মান ভালো এবং বিশ্ববাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। চলমান রপ্তানি বাজারের পাশাপাশি ব্রাজিল ও রাশিয়ার মতো বড়ো বাজারগুলোতে প্রবেশ করতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানি অনেক বাড়বে।

সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউঅ্যাবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (এসআরইডিএ) সদস্য সিদ্দিক জোবায়েরের সঞ্চালনায় এবং এসআরইডিএর চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, ইনোওয়েল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ফার্নো সুসাই, বিকেএমইর সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. ফজলুল হক, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাটাইলসের প্রফেসর ড. মো. জুলহাস উদ্দিন এবং এ্যাপলস গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিরেন্দ্র গয়াল।