দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে তার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এসব সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশকে দুর্নীতি, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদমুক্ত এবং দেশে মানুষের জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা সকল কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করব।’

শেখ হাসিনা গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বাসা) বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে বক্তৃতা করেন। বাসা সভাপতি হেলালউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব শেখ ইউসুফ হারুন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বাসা সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠন করার পর থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রবৃদ্ধিকে অন্তত ৮ ভাগে তুলে আনা। আমরা তা ৮ দশমিক ১৩ ভাগে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি বলেন, আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নের পথে অনেকদূর এগিয়েছি। দরিদ্র দেশ বলে কেউ আর আমাদের কটাক্ষ করতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর্থসামাজিক সূচকে গত সাড়ে ১০ বছরে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। আমরা এর শীর্ষে উঠতে চাই।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তির বাস্তবায়ন

চায় বেইজিং : রাষ্ট্রদূত

বিদায়ি চীনা রাষ্ট্রদূত ঝাং জু বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রশ্নে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির বাস্তবায়ন চায় বেইজিং। তিনি গতকাল বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে বিদায়ি সাক্ষাত্কালে বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির বাস্তবায়ন চাই।’ সাক্ষাত্ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের জবাবে বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন যদি ক্ষুদ্রাকারেও শুরু হয়, তবে এটা সকলের জন্যই মঙ্গলজনক।