g তানভীর তারেক
দেশের বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর পৃথিবী প্রস্থান হয়েছে মাত্র ক’টা দিন। এ বছরই একুশে পদক প্রাপ্তির আনন্দকে সহকর্মীদের সঙ্গে সেলিব্রেট করবেন বলে জানিয়েছিলেন শিল্পী তাঁর কন্যাকে। কিন্তু এর আগেই হঠাত্ করেই যেন চলে গেলেন বরেণ্য এই সংগীতশিল্পী।
শোকাতুর পরিবারের পাশে সবসময় থাকছেন, খোঁজ নিচ্ছেন এখন শিল্পীরা। সুবীর নন্দীর কন্যা ফাল্গুনী নন্দী বলেন, ‘বাবার ইচ্ছে ছিল এমন একটি আয়োজন করার। তাই মেয়ে হিসেবে দায়িত্ব পালন করলাম। বাবাকে যে আপনারা কত ভালোবাসেন তা বলে বোঝাতে পারবো না।’
গত ১৮ জুলাই ঢাকার এক রেস্তোরাঁয় তাই সুবীর নন্দীকে ঘিরেই এক অনন্য আয়োজন হয়ে গেল। বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলদ, সাদিয়া আফরিন মল্লিক, রফিকুল ইসলাম, আবিদা সুলতানা, ইয়াকুব আলী খান, মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান, ফরিদা পারভীন, নকীব খান, ড. অরূপ রতন চৌধুরী, শেখ সাদী খান, আজাদ রহমান, মিতা হক, ফাতেমা তুজ জোহরা, রবি চৌধুরী, পারভেজ, ইউসুফ, পুলক, সাব্বির, সন্দীপন, জাহাঙ্গীর, চম্পা বনিক থেকে শুরু করে সকলেই যেন তাঁদের প্রিয় শিল্পী সুবীর নন্দীর স্মৃতিকে একটু ছোঁয়ার জন্যই একজোট হলেন এদিনের সন্ধ্যায়। একেবারে প্রাণের আড্ডা শেষে সকলে মিলে সুবীর নন্দীর পরিবারের সামনে গেয়ে উঠলেন ‘দিন যায় কথা থাকে।’
সকলে সমস্বরে যখন গাইছিলেন এই গানটি, মনে হলো যেন সুবীর নন্দী ঠিক এমন একটি মুহূর্তের জন্য গানটি গেয়ে গিয়েছিলেন। উপস্থিত সকলেই যেন একে অপরের সঙ্গে সুবীর নন্দীর সাথে কাটানো সময়গুলোকে মনে করছিলেন। যানজটের এই শহরে সকলের হাজারও ব্যস্ততা ভুলে এক ছাদের নিচে জড়ো হয়েছিলেন কারণ একটাই—সঙ্গে ছিলেন সবার প্রিয় সুবীর নন্দী।
ছবিতে (ক্লকওয়াইজ) স্বামী সুবীর নন্দীর স্থিরচিত্রের পাশে, রফিকুল আলম, সাদিয়া আফরিন মল্লিক, শেখ সাদি খান, আজাদ রহমান ও সুবীর নন্দীর কন্যা ফাল্গুনী নন্দী, শিল্পীর সবচেয়ে কাছের বন্ধু খুরশীদ আলম, সুবীর নন্দীর ছবিকে ঘিরে রবি চৌধুরী, ইয়াকুব-ইউসুফ পরিবার, পারভেজ