সিরাজগঞ্জের তাড়াশে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অফিসের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দৈনিকে ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘নিলাম ছাড়াই ব্রিজের রড বিক্রির অভিযোগ এলজিইডির বিরুদ্ধে’- সংবাদের সূত্র ধরে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) এলজিইডির তাড়াশ অফিসে এই অভিযান পরিচালনা করেন দুদকের কর্মকর্তারা।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর অভিযানে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে বেশ কিছু অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি ‘নিলাম ছাড়াই ব্রিজের রড বিক্রির অভিযোগ এলজিইডির বিরুদ্ধে’ শিরোনোমে ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ‘হস্তান্তরের আগেই বিদ্যালয় ভবনে ফাটল’, ‘নিম্মমানের সামগ্রী দিয়ে বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের অভিযোগ’, ‘উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ’, ‘ব্যক্তিমালিকানা জায়গায় মাছের সেড নির্মাণ’ শিরোনামের মোট পাঁচটি সংবাদ সংবাদ প্রকাশিত হয় দৈনিক ইত্তেফাকে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক বলেন, মঙ্গলবার দুদকের কর্মকর্তারা এসেছিলেন। তারা আসতেই পারেন। আমাদেরও কিছু ভুলভ্রান্তি রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে দুদক পাবনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, এলজিইডির বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতি খতিয়ে দেখে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিধি মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।