সাফা কবির। দেশের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী। সারাবছরের ছোটপর্দার ব্যস্ততা যেন কয়েকগুণ বেড়ে যায় ঈদ এলে। সামনে কোরবানির ঈদ নিয়েও তাঁর ব্যস্ততার কমতি নেই। ঈদের কাজের প্রসঙ্গের পাশাপাশি নাটকের অন্যান্য বিষয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
চলতি সময়ে আপনার কাজের ব্যস্ততা প্রসঙ্গ শুরুতে জানতে চাই—
এখন যেহেতু সামনে ঈদ, তাই ঈদের কাজগুলো নিয়েই ব্যস্ততা চলছে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত শুটিং রয়েছে। সেগুলো নিয়েই ব্যস্ত আছি এখন।
প্রতিটি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তো প্রস্তুতির দরকার হয়। একটানা কাজের ক্ষেত্রে প্রস্তুতিটা কতটুকু থাকে?
আমি সাধারণত একটানা কাজে অভ্যস্ত না। কয়েকদিন সময় নিয়ে নতুন কাজ করা আমার জন্য ভালো মনে করি। তবে এবার কাজের চাপ খুব বেশি হওয়ায় সেই সুযোগটা পাইনি। আর প্রস্তুতির বিষয়টা তো থাকেই। সময় বেশি পেলে প্রস্তুতিটা হয়তো ভালো করে নেওয়া সম্ভব হয়। একটানা কাজের ক্ষেত্রেও শুটিংয়ে যাওয়ার আগে একটা প্রস্তুতি থাকে।
নাটকের সংখ্যাটা দিনদিন বাড়ছে। এতে কাজের পরিমাণ বাড়লেও নিজের সবগুলো নাটকের গল্প নিয়ে আপনি কী সন্তুষ্ট থাকেন?
কিছু বাস্তবতা মেনেই আমাদের কাজ করতে হয়। আমি যদি দশটা কাজ করি, সেক্ষেত্রে হয়তো দুটি নাটকের গল্পে বেশ সন্তুষ্ট নিয়েই কাজ করি। আর সব কাজ নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়া সম্ভব না। তবে আমি প্রতিবার চেষ্টা করি ঈদের কাজগুলোতে যেন ভিন্নতা থাকে। সেটা চরিত্র ও গল্প দুই জায়গা থেকেই। আগে থেকেই একটা পরিকল্পনা থাকে। সেটা ঠিক রেখেই কাজগুলো শুরু করি। এখন যে নাটকটি শুটিং করছি সেখানে আমি একজন চা বিক্রেতার চরিত্রে কাজ করছি। এই ধরনের এক্সপেরিমেন্টাল কাজগুলো করি। সেটা দর্শকদের পছন্দ মাথায় রেখে।
ছোটপর্দা ও মডেলিংয়ে আপনি এই সময়ের জনপ্রিয় একজন তারকা, সিনেমা নিয়ে তাহলে কেন পরিকল্পনা করছেন না?
সিনেমায় কাজের পরিকল্পনাটা এখনো করিনি। আমাদের সিনেমার সংখ্যাটা এখন খুব বেশি না। আমরা ক’টা সিনেমার কথা বলতে পারবো। হাতেগোনা কয়েকটা মাত্র। আমি চাই হাতে গুনে যেন বলতে না হয়। যখন সিনেমার এই জায়গাটা ঠিক হবে, সিনেমার সংখ্যাটা বাড়বে তখন হয়তো কাজের বিষয়ে ভাববো।
সিনেমার যে প্রস্তাবগুলো আসছে, সেগুলো কী কাজ করার মতো না?
আসলে আগের কথাই বলতে হয়। যখন নিজেকে প্রস্তুত মনে করবো তখন কাজ শুরু করবো।