সেই চীনেই বেল?

বেশ কিছুদিন আগে চীন লিগে খেলার ব্যাপারে সাফ মানা করে দিয়েছিলেন গ্যারেথ বেলের এজেন্ট জোনাথন বার্নেট। তবে বর্তমান পরিস্থিতি খেলোয়াড়টির চীন-যাত্রার দিকেই ইঙ্গিত করছে। স্প্যানিশ ক্রীড়াদৈনিক মার্কা জানাচ্ছে, ওয়েলস ফরোয়ার্ডকে দলে টানতে দারুণ আগ্রহী বেশ কিছু চীনা দল।

বায়ার্ন মিউনিখ ম্যাচে প্রথম একাদশে ছিলেন না বেল, জায়গা পাননি বদলি হিসেবেও। ম্যাচের পর রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জিনেদিন জিদান জানিয়েছিলেন বেলের দলবদলের আলোচনা চলছে বলেই তাকে খেলাননি। তিনি আরো জানান, অতি শীঘ্রই বেলের দলবদলের কাজটা সেরে ফেলতে চায় দলটি।

রিয়াল মাদ্রিদে বর্তমানে প্রতি বছর ১৭ মিলিয়ন ইউরো আয় করেন বেল, সেটিও সব ধরনের কর পরিশোধ করার পর। এবার মার্কা জানাচ্ছে বিত্তবান সানিং বিজনেসের কোম্পানির মালিকানায় থাকা জিয়াংসুও তাকে একই অঙ্কের বেতন দিতে প্রস্তুত।

উল্লেখ্য, ইতালীয় ক্লাব ইন্টার মিলানের ৭০ শতাংশ মালিকানাও আছে সানিংয়ের। যদি শেষমেশ এই ক্লাবটিই বেলের ঠিকানা হয় তবু বেলই একমাত্র ইউরোপীয় খেলোয়াড় হবেন না ক্লাবটির। এর আগে পর্তুগালকে ইউরো জেতানো এডার কিংবা এলেক্স তিজেইরার মতো খেলোয়াড়দেরও দলে টেনেছিল জিয়াংসু।  

তবে খেলোয়াড়টিকে দলে পেতে আগ্রহী চীনা ক্লাব জিয়াংসুই একমাত্র নয়। সাংহাই সেনহুয়াও তাকে চলতি দলবদলেই দলে ভেড়াতে চায়। এক্ষেত্রে রিয়ালের চেয়েও বেশি অর্থ উপার্জন করার সম্ভাবনা আছে সাবেক ওয়েলস অধিনায়কের।

তবে চীনই বেলের একমাত্র গন্তব্য নয়। খেলোয়াড়টির সাবেক ক্লাব টটেনহ্যামও তাকে দলে ভেড়াতে আগ্রহ দেখিয়েছে। খেলোয়াড়টির জন্য ৫০-৬০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতেও আগ্রহী দলটি। তবে সম্প্রতি দলটির কোচ মরিসিও পচেত্তিনো এ ব্যাপারে কিছুটা ধোঁয়াশাতেই রেখেছেন গণমাধ্যমকে।

বেলের টটেনহ্যাম প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে বড়ো বাধা রিয়ালের উচ্চাকাঙ্ক্ষা। খেলোয়াড়টির জন্য স্পার্সদের বাজেটের চেয়ে বেশি অর্থ চায় জিদানের দল। ফলে আপাতদৃষ্টিতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বেলের ফেরার সম্ভাবনাকে বেশ ক্ষীণই মনে হচ্ছে।